০২/০৩/২০২৬, ১৭:৩১ অপরাহ্ণ
33 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১৭:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ঘোড়াশালে রেল ও বিআইডব্লিউটিএ’র জমিতে উচ্ছেদ নয়, স্থায়ী সমাধান চান এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষার

নরসিংদীর ঘোড়াশালে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর জমিতে বছরের পর বছর ধরে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ব্যবসায়ীদের বারবার উচ্ছেদ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র যুগ্ম-আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘোড়াশালে ব্যবসায়ীদের নিয়ে সাদ্দাম বাজারসহ পৌর শহরে অবস্থিত রেল এবং বিআইডব্লিউটিএ’র জমিতে গড়ে ওঠা দোকানগুলো পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’ নরসিংদী জেলা কমিটির সমন্বয়কারী আওলাদ হোসেন জনি, জেলা/উপজেলার এনসিপির নেতৃবৃন্দসহ ঘোড়াশালে অবস্থিত সাদ্দাম মার্কেট ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, আসছে ১৮ সেপ্টেম্বর ঘোড়াশালে উচ্ছেদ হওয়ার নোটিশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ব্যবসায়ীদের স্বার্থে তা বন্ধ করতে রেল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন উচ্ছেদ না করা হয়। তিনিও আশ্বস্ত করেছেন যে ১৮ তারিখে উচ্ছেদ হবে না।

সারোয়ার তুষার আরও বলেন, উচ্ছেদের নামে সাধারণ ব্যবসায়ীদের সর্বনাশ ডেকে আনা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ব্যবসায়ীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন, তাই অস্থায়ী নয়, তাদের জন্য স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে।

সারোয়ার তুষার আরও জানান, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর অন্যায় চাপিয়ে দিলে তা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ঘোড়াশালের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে, যেন তারা নিশ্চিন্তে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, ভাঙা-গড়ার নামে ব্যবসায়ীদের নিঃস্ব করে দেওয়া উচিত নয়। ব্যবসায়ীরা কারও পকেট ভারী করতে চান না; তারা সরকারের কাছে রাজস্ব দিয়ে সৎভাবে ব্যবসা করতে চান।

পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকানে মিললো সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল

দেখুন: যশোরের গদখালিতে ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন