২৮/০২/২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
30.6 C
Dhaka
২৮/০২/২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক, অচল হওয়ার শঙ্কা

চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবরিতি দুইদিন স্থগিত রাখার পর রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এবারের কর্মসূচিতে বন্দরের বহির্নোঙরেও কাজ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচি কার্যকর হলে পুরো বন্দর অচল হয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। একই দিন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতা হুমায়ন কবীর লিখিত বক্তব্যে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। আর কর্মসূচি ঘোষণা করেন সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে এই কর্মসূচি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

দাবির মধ্যে রয়েছে— এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ না দেওয়ার বিষয়ে সরকার কর্তৃক ঘোষণা দেওয়া, বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া।

আন্দোলনের সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন বলেন, নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বৃহস্পতিবারের বৈঠকে আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দিলেও এখনো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেননি। আর বন্দর চেয়ারম্যান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তাকে অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে আবার লাগাতার কর্মসূচিতে যাওয়া ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না।

সংগ্রাম পরিষদের নেতারা বলছেন, আন্দোলন শুরুর পর থেকে এ কয়েকদিন বন্দরের বর্হিনোঙরের কাজ কর্মবিরতির আওতায় ছিল না। তবে রোববার থেকে ডাকা ধর্মঘটে বর্হিনোঙরেও ‘কাজ হবে না’ বলে জানিয়ে দিয়েছেন পরিষদের নেতারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতির ঘোষণা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন