চরফ্যাশন উপজেলার আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণে চুরি,অধিক দামে বিক্রি ও মাপে কম দেওয়ার অভিযোগে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ও খাদ্যবান্ধব চালের ডিলার ডা:আবদুল মান্নানের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
২৩ নভেম্বর (রবিবার) বিকালে আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের মৃধা চৌমুহনী বাজারে এবিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চালের কার্ডধারী হতদরিদ্র প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে। এ সময় তারা অভিযুক্ত ডা. আবদুল মান্নানের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চালের ডিলারশীপ বাতিল ও তার শাস্তি দাবী করে শ্লোগান দেন।
কার্ডধারী কয়েকজন হতদরিদ্র নারী-পুরুষ বলেন, ডা. মন্নান একজন দুর্নীতিবাজ। সে সরকারী চালের কার্ডধারীদের প্রতি স্লিপের আওতায় ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে ২০/২২ কেজি চাল দেয়। এছাড়াও সে ৪৫০ টাকার পরিবর্ত কার্ডধারীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৫০০ টাকা নেয়।
ডিলার আবদুল মান্নান অনিয়মকে যেন নিয়মে পরিণত করেছে। গত সপ্তাহে তার আপন ভাগ্নীর বাসায় ৬-৭ বস্তা চাল পাওয়া যায়, সে সময় তার ভাগ্নী গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেন যে, সে মাত্র একটি কার্ডের বিপরীতে এতগুলো চাল কিনে এনেছেন।
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গরিবের প্রাপ্য চাল কালো বাজারে বিক্রয় করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ডিলার আব্দুল মান্নান । অথচ যাদের জন্য সরকারী এ কর্মসূচি, তারা যথাযথভাবে চাল পাচ্ছে না।
এব্যাপারে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালের ডিলার আবদুল মান্নান বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সত্য নয়। যে অতিরিক্ত চাল পাওয়া গিয়েছে বলা হচ্ছে তা মিথ্যা।
চরফ্যাশন উপজেলা খাদ্য নিযন্ত্রক আবদুল মালেক বলেন,ডিলারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।
সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।
পড়ুন- ঝিনাইদহে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ


