চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়েই জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সভায় হওয়ার সিদ্ধান্ত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, সভা মনে করে যেহেতু নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে সেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার কারণ নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রশ্ন ওঠে না। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। সভা এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে আসার আহ্বান জানায়।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া অন্য নির্বাচন করার চিন্তা আসে কোথা থেকে? তা ছাড়া চলতি বছরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সংসদ নির্বাচন তো একসঙ্গে করতে পারবেন না বলে ইসি জানিয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তড়িঘড়ি করে বিচার করা যাবে না। তাহলে সেটা আবার প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের কাছ থেকে খসড়াপত্র পেয়েছি। আমরা আলোচনা করছি। আরও করব। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেব। তারপর কিছু বলা যাবে। বিএনপির জন্ম হলো সংস্কারের মধ্য দিয়ে। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। এটাই তো বড় সংস্কার। সংস্কার হলো চলমান প্রক্রিয়া। এটা চলতেই থাকবে।

তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের যতগুলো দল আছে সবার সঙ্গে কথা বলেছি, আরও বলব। লন্ডনে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মানসিক ও শারীরিক দিক দিয়ে আগের থেকে বেটার আছেন।
এ ছাড়া ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সকল চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান উপস্থিত ছিলেন।


