পবিত্র ঈদুল আযহাকে ঘিরে গাড়ী ও যানজটের তেমন চাপ নেই চাঁদপুর সদরের হরিণা ফেরীঘাটে।এতে করে নির্বিগ্নে মেঘনা নদী পারাপার হওয়া যাচ্ছে।
৬ জুন শুক্রবার হরিণা ফেরীঘাটে গেলে চাপ না থাকায় মোটরসাইকেল আরোহীদের মুখে অনেকটা হাসি দেখা যায়।
বিআইডব্লিউটিসি চাঁদপুরের হরিণা ফেরীঘাটের এক তথ্যে দেখা যায়, ৫ জুন সকাল ৬টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২২৭টি হোন্ডা চাঁদপুর থেকে শরিয়তপুরে পারাপার হয়েছে।যাদের থেকে ভাড়া নেয়া হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা করে। এছাড়া ঐ সময়ে গরুর গাড়ী ২১টা, বাস ২টা, ট্রাক ৬৭টা, ছোট গাড়ী ৪৬টা চাঁদপুর থেকে শরিয়তপুর ফেরী পারাপার হয়েছে।
এদিন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঈদুল আযহার পরিদর্শন টিম চাঁদপুর ও শরিয়তপুরঘাট পরিদর্শন করেছেন। এসময় নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত যাত্রী ও যানবাহন পারাপার দেখে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। বর্তমানে এ রুটে মেঘনা নদী পারি দেওয়া ৬টি কে-টাইপ ফেরীগুলো হলো ফেরী মহানন্দা, কাকলী, কেতুকি, কস্তুরি, কর্মীলতা ও কিষানী।
মোটরসাইকেল চালক রবিউল বলেন, আমি এখান থেকে ফেরী পার হতে আগে অপেক্ষা করতে হলেও এখন আসা মাত্রই ফেরী পেয়ে যাচ্ছি। কোথাও অতিরিক্ত খরছও দেয়া লাগছে না। শুধুমাত্র ফেরী পারাপারের ভাড়া ১২০ টাকা দিতে হচ্ছে। এতে আমি অনেক খুশি।
এ তথ্য নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসি চাঁদপুর হরিণা ফেরিঘাটের এজিএম (বাণিজ্য) ফয়সাল আলম চৌধুরী বলেন, গাড়ী হওয়া মাত্রই পারাপারের জন্য ফেরী ছাড়া হচ্ছে। রাতদিন ২৪ ঘন্টাই ফেরী চলছে। শুধুমাত্র ফেরীর ভাড়া ছাড়া কোথাও কোন অতিরিক্ত খরছ ছাড়াই ঘরমুখো ঈদযাত্রা নির্বিগ্নে করতে আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পড়ুন: পটুয়াখালীর ২২ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদ
দেখুন: প্রেমিকাকে ১১শ কোটির সম্পত্তি দিয়েছেন ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী |
ইম/


