21.6 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চাঁদাবাজি নয়, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড : পুলিশ

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ভাঙারি দোকানের নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরেই সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘অপরাধীদের সঙ্গে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মিটফোর্ড এলাকায় একটি ভাঙারি দোকানের ব্যবসায় কারা অংশ নেবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই দ্বন্দ্ব ও লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই ঘটেছে এই হত্যাকাণ্ড।’

জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার পর এখন পর্যন্ত র‍্যাবের হাতে দুজন এবং পুলিশের হাতে তিনজনসহ মোট পাঁচজন গ্রেফতার হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

মামলা নিতে চায়নি পুলিশ— এমন অভিযোগ সত্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিল। শুরু থেকেই আমরা ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি।’

জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থেকে এই মামলার তদন্ত করছি না। আমাদের কাছে অপরাধই মুখ্য। কারও রাজনৈতিক পরিচয় আমাদের বিবেচ্য নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সোহাগের আগের কর্মকাণ্ডগুলোও খতিয়ে দেখছি। যদি তার পূর্ববর্তী কোনো বিষয়ে হত্যার কারণ থেকে থাকে, সেটিও আমলে নেয়া হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, তদন্তের এ পর্যায়ে চাঁদাবাজির কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যতটুকু তথ্য মিলেছে, সবই পারস্পরিক ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব এবং আর্থিক লেনদেন ঘিরেই।

গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের তিন নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে সোহাগকে কুপিয়ে এবং মাথায় বড় পাথর দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় নেটিজেনদের মাঝে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে সব আসামি শনাক্ত, ৪ জন গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন