ফরিদপুর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি মাসুদুর রহমান লিমনের নেতৃত্বে শহরের মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। চাঁদা না দেবার কারনে মঙ্গলবার বিকেলে মাসুদুর রহমান লিমনের নির্দেশে শাহীন হাওলাদারের নেতৃত্বে কতিপয় যুবক মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে গিয়ে হামলা চালিয়ে ১৬টি মাহেন্দ্র ভাংচুর করে বলে অভিযোগ করেেেছন শ্রমিকেরা। এসময় হামলাকারীরা ১০ জন মাহেন্দ্র চালককে পিটিয়ে আহত করে। বর্তমানে ৮ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগে জানা গেছে, যুবদলের নাম ব্যবহার করে জেলা কমিটির সহ সভাপতি মাসুদুর রহমান লিমন ও তার সহেযাগী যুবদল কর্মী শাহীন হাওলাদারসহ যুবক কয়েকমাস ধরে ভাঙ্গা রাস্তারে মোড়ে অব¯ি’ত মাহেন্দ্র স্ট্যান্ড দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। এসময় তারা স্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করতো।
গত কয়েকদিন ধরে মাহেন্দ্র চালকেরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের নানাভাবে
হুমকি দিয়ে আসছিল শাহীন হাওলাদার গংয়েরা। মাহেন্দ্র চালক লিয়াকত আলী বাবু, রউফুল লিমন, রানা সরদার, মোঃ সলেমান, মামুন মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে লিমন ও শাহীন মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডের দখল নিতে চেষ্টা চালায়। স্ট্যান্ড দখল নিতে না পারলেও তারা জোরপূর্বক মাহেন্দ্র প্রতি ৫০/১০০ করে টাকা নিতো। আমরা ভয়ে তাদের চাঁদা দিতাম। গত কয়েকদিন ধরে চাঁদা না দেবার কারনে তারা নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার বিকেলে বেশ কিছু ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে হামলা চালায়। এসময় তারা নির্বিচারে মাহেন্দ্র গুলো ভাংচুর করতে থাকে। এসময় তাদের বাঁধা দিলে আমাদের ১০ জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডের শ্রমিকেরা জানান, যুবদলের নাম ব্যবহার করে লিমন ও শাহীন স্ট্যান্ড দখলের চেষ্টা করছে। চাঁদা না দিলে আমাদের মেরে স্ট্যান্ড থেকে তাড়িয়ে দেবে বলে হুমকি দি”েছ। হামলাকারীরা বলছে, এতদিন আওয়ামীলীগ স্ট্যান্ড দখল করে খেয়েছে, এখন আমরা খাবো।
মাহেন্দ্র শ্রমিকেরা অভিযোগ করে বলেন, মারপিট, মাহেন্দ্র ভাংচুরের পাশাপাশি সমিতির কাউন্টার থেকে ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। মাহেন্দ্র চালক এলাহি শেখ, মোঃ মোতালেব বলেন, আমাদের মাহেন্দ্র গাড়ী গুলো ভেঙ্গে ফেলার কারনে এখন আমরা কিভাবে চলবো। তাছাড়া আমরা এখন মালিকদের কি বুঝ দেবো। এ সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিচার চাই। এ বিষয়ে মামলার প্র¯‘তি চলছে বলে হামলার শিকার হওয়া শ্রমিকেরা জানান।এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ রাজিব হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমিকিছুই জানিনা। যদি এমন ঘটনা কেউ ঘটিয়ে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে তারবিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যব¯’া গ্রহন করা হবে।কোতয়ালী থানার এসআই পিষুষ কান্তি হালদার বলেন, ঘটনা জানতে পেরে ঘটনা¯’লে গিয়ে পরি¯ি’তি দেখেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যব¯’া গ্রহন করা হবে।
পড়ুন: জবি সাংবাদিকতা বিভাগের বার্ষিক বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
দেখুন: ‘জলাবদ্ধ শহর নোয়াখালী: দখলের ফাঁদে শতাধিক খাল’ |
ইম/


