24.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ২৩:১৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দুই বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার, বিএসএফের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী পদ্মা নদী থেকে শফিকুল ইসলাম ও সেলিম রেজা নামের দুই বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা কীভাবে মারা গেছেন তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি বিজিবি ও পুলিশ কর্মকর্তারা।

তবে স্থানীয়দের দাবি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) নির্যাতনে মারা গেছেন তিনি। আজ শনিবার দুপুরে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর এলাকা থেকে বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতিতে শফিকুল ইসলামের ও সন্ধ্যায় সেলিম রেজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শফিকুল ইসলাম শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর-হঠাৎপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে ও সেলিম রেজা একই গ্রামের মৃত মর্তুজার ছেলে।

মরদেহ দুটি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু ও শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া। 

বিজিবি ও পুলিশ জানায়, সীমান্ত সংলগ্ন পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় শফিকুলের মরদেহ দেখতে পান বিজিবি সদস্যরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একইভাবে সেলিম রেজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

স্থানীয়রা বলছেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে শফিকুল ও সেলিম নামের দুই বাংলাদেশি নদীপথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যান। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তারা। পরে শনিবার তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত শফিকুলের স্ত্রীর ভাই ও স্থানীয় মনাকষা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহা. সমির উদ্দীন বলেন, নির্যাতনেই মৃত্যু হয়েছে শফিকুল ইসলামের। তার পুরো শরীরের অনেকগুলো চিহ্ন রয়েছে। এগুলো অ্যাসিডে দগ্ধ হয়ে পোড়া ফোসকার মতো। এছাড়াও তার অনেকগুলো দাঁত ভাঙা ছিল।

বিজিবি অধিনায়ক ফাহাদ মাহমুদ রিংকু বলেন, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি একেবারেই সীমান্ত এলাকায়। তাই পুলিশকে সহযোগিতা করেছেন বিজিবি সদস্যরা।
অন্যদিকে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা শফিকুলের মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তিনি কীভাবে মারা গেছেন তা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চাঁপাইনবাবগঞ্জে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, যুবক আটক

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন