22.9 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চিনির সাথে চিটাগুড় মিশিয়ে তৈরি হচ্ছিল আখ-খেজুর গুড়

ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ের যৌথ অভিযানে ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৬ হাজার কেজি গুড় ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় ওই কারখানা থেকে পর্যাপ্ত কেমিক্যালও জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস ও কারখানা সিলগালা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা সদরের শিবরামপুর ছোট বটতলা এলাকায় স্বপন কুমার শীল নামের এক ব্যক্তির ভেজাল গুড়ের কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান।

এ সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আজমল ফুয়াদ, জেলা ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক বজলুর রশিদসহ আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভেজাল গুড়ের কারখানাটিতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সংরক্ষণ না করেই ভারত থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের টিনজাত চিটাগুড়ের (যা গো-খাদ্যে ব্যবহৃত হয়) সাথে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ, ফিটকিরি, ননফুড গ্রেড ক্ষতিকর রঙ ও ফ্লেভার, পঁচা মিষ্টি, মিষ্টির নষ্ট গাদ, ময়দা, সোডা ও চিনি ব্যবহার করে খেজুর ও আখের গুড় তৈরীর কাজ চলছিল। বেশির ভাগ কারখানাটি রাতের অন্ধকারে ভেজাল গুড় উৎপাদন করে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলসহ ঢাকা ও রাজশাহীর বাজারে সরবরাহ করা হতো। অভিযানকালে কারখানায় মালিক পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় সাড়ে ৬ হাজার কেজি ভেজাল গুড়সহ কেমিক্যাল জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করে কারখানাটি সিলগালা করে দেন আদালত। একই সাথে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কারখানাটিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে সেখানে নিম্নমানের টিনজাত চিটাগুড়ের সাথে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ও ফিটকিরিসহ ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মিশিয়ে চিনি ব্যবহার করে গুড় তৈরি করা হচ্ছিল।

তিনি বলেন, সাড়ে ৬ হাজার ভেজাল গুড় ও কেমিক্যাল ধ্বংস করা হয়েছে। একই সাথে কারখানাটি সিলগালা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।

পড়ুন: ৮ কুকুরছানা হত্যা, এবার সেই সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী গ্রেপ্তার

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন