28.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১৯:৫০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় স্পিরিট পানে ৬ জনের মৃত্যু, আরও একজন হাসপাতালে

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় গত দুদিনে স্পিরিট পানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় আরও একজন দিনমজুর বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতদের সবাই নিম্নআয়ের পেশাজীবী কেউ ভ্যানচালক, কেউ মিল শ্রমিক, আবার কেউ মাছ ব্যবসায়ী।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) জামাল আল নাসের রবিবার (১২ অক্টোবর) রাতে ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, “আমরা প্রাথমিকভাবে জেনেছি, গত বৃহস্পতিবার রাতে ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকায় কয়েকজন মিলে স্পিরিট পান করেন। এরপর একে একে ছয়জন মারা গেছেন। আজ রবিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যুর পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। আমরা প্রত্যেকের বাড়িতে যাচ্ছি এবং ঘটনাটি তদন্ত করছি।”

নিহতরা হলেন— চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নফরকান্তি গ্রামের ভ্যানচালক খেদের আলী (৪০), খেজুরা গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিম (৪০), পিরোজখালি গ্রামের ভ্যানচালক মোহাম্মদ লালটু ওরফে রিপু (৩০), শংকরচন্দ্র গ্রামের শ্রমিক মোহাম্মদ শহীদ (৪৫), ডিঙ্গেদহ গ্রামের মিল শ্রমিক মোহাম্মদ সামির (৫৫) এবং একই এলাকার শ্রমিক সরদার মোহাম্মদ লালটু (৫২)।

এছাড়া একই এলাকার দিনমজুর আলিম উদ্দিন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করে স্থানীয় অনেকে অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ডিঙ্গেদহ বাজারে অবৈধভাবে স্পিরিট বিক্রি হয়ে আসছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের দাবি।

নাম প্রকাশ না করে ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকার স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, “ডিঙ্গেদহ বাজারে অনেক দিন ধরেই গোপনে স্পিরিট বিক্রি হয়। কেউ কিছু বললে হুমকি দেয়। এখন ছয়জনের প্রাণ গেল, তবু যদি প্রশাসন জাগে।”

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দুলু মিয়া বলেন, “ডিঙ্গেদহ বাজারে একসঙ্গে বেশ কয়েকজন স্পিরিট পান করেছিলেন। আমার ওয়ার্ডের দুজন মারা গেছেন। এছাড়া আরও কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি।”

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন