চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় সংঘটিত পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—আলমডাঙ্গা উপজেলার বারাদি গ্রামের নাজমুল হক (৩৩) এবং জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের আব্দুল খালেক (৫৫)। রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশ পাহারায় তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এমএম শাহাজাহান মুকুল বলেন, “উভয় মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তিতর্ক পর্যবেক্ষণ শেষে আদালত পৃথকভাবে দুই আসামির বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে, এই রায় সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বারাদি গ্রামের নাজমুল হক তার বন্ধুর ১৩ বছর বয়সী কিশোরী বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ১৯ ডিসেম্বর আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খসরু আলম। ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।
অন্যদিকে, ২০১৫ সালের ৮ জুন মিনাজপুর গ্রামের আব্দুল খালেক তার ভায়রাভাইয়ের ৬ বছর বয়সী কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করেন। পরদিন ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় মামলা দায়ের করেন। থানার এসআই আকরাম হোসেন তদন্ত শেষে ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
পড়ুন: নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত
দেখুন: বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বাদ দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠনের দাবি
ইম/


