০২/০৩/২০২৬, ১৬:৫৮ অপরাহ্ণ
33 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১৬:৫৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় দুদকের গণশুনানিতে চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন

বিগত সরকারের পতনের অন্যতম কারণ দুর্নীতি নির্বাচনের সময় মনোনয়ন বাণিজ্যসহ অবৈধ টাকার লেনদেন বাড়ে দুদকের আসামী এমপি-মন্ত্রীরা কোন দেশে আছে তা অজানা নয়

বিজ্ঞাপন

হুসাইন মালিক, চুয়াডাঙ্গা: দুর্নীতির উৎস হচ্ছে এক ধরনের রাজনীতিদের দ্বারা। তাদের হাতেই লালিত হয় দুর্নীতিবাজদের অনেকে। বিগত সরকারের পতনের অন্যতম কারণ ছিল দুর্নীতি। এজন্য সচেতন থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে আগে মনোনয়ন বাণিজ্যসহ অবৈধ টাকার লেনদেন বেড়ে যায়। এজন্য এখনই সতর্ক থাকতে হবে। সঠিক লোকটিকে নির্বাচন করতে হবে।

সোমবার সকালে শুরু হওয়া চুয়াডাঙ্গার ডিসি সাহিত্য মঞ্চে দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শুনানি শেষ হয় এদিন বেলা তিনটায়।

চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন আরও বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবারের সদস্যরা এবং সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সফল পরিনতির দিকে আমরা যেতে পারবো। দুর্নীতির মামলায় অনেক আসামী দেশীয় সীমান্তের মধ্যে নেই। তারা কিভাবে কোন উপায়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে তা সকলেই জানে। এমনও তো হতে পারে যে তারা এই চুয়াডাঙ্গা সীমান্তই পাড়ি দিয়েছে। ফলে কে কোন দেশে অবস্থান নিয়েছে তা আমাদেরও অজানা না।

এসময় গণশুনানিতে চুয়াডাঙ্গার ২৬টি দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯৫টি অভিযোগ শুনানি হয়। এরমধ্যে ৩৩টি অভিযোগ তাৎক্ষণিক শুনানিতে নিষ্পত্তি হয়। ৭টি খারিজ হয় এবং বাকি অভিযোগগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

গণশুনানিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন, খুলনা বিভাগীয় কাযালয়েল পরিচালক জালাল আহমেদ ও চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) জামাল আল নাসের।

পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছে ঝুলছিল কৃষকের মরদেহ

দেখুন: মহান বিজয়ের প্রতীক জাতীয় স্মৃতিসৌধ | ঘরে বাইরে

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন