২০২৪ সালের মার্চে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটি করে বিএনপি। দুই বছর মেয়াদী সেই কমিটির নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে। শুধু ছাত্রদলেরই প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হন এই আন্দোলনে। সে কমিটিতে রাকিবুল ইসলাম সভাপতি ও নাছির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
অন্তবর্তী সরকারের সময়েও রাজপথে শক্তিশালী অবস্থান দেখা যায় ছাত্রদলের। তবে ভরাডুবি হয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে। গত মাসে কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবার জোরেশোরে আলোচনায়— আসছে ঈদুল আজহার পরই জুন-জুলাই মাসের দিকে নতুন নেতৃত্ব পেতে পারে ছাত্রদল। সম্প্রতি নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বর্তমান শীর্ষ পাঁচ নেতার সাথে এ নিয়ে কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ নিয়ে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন বলেছেন, কী ধরনের ক্রাইটেরিয়া থাকবে, কারা নেতৃত্বে আসবে বা কারা আসতে পারবে না কিংবা যারা আসতে পারবে না তাদেরকে অবশ্যই অন্য কোথাও যুক্ত করা হবে।
তবে বসে নেই পদপ্রত্যাশীরা। ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আসতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন ২০০৮-০৯ ও ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের এক ডজন নেতা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের শিক্ষাবর্ষের তফাৎ প্রায় দেড় যুগ।
২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের এক ঝাঁক ছাত্রদল নেতাও পদপ্রত্যাশী। তুলনামূলক জুনিয়র এই নেতাদের বেশিরভাগেরও ছাত্রত্ব নেই। কিন্তু বয়স ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় তাদের থেকেই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হওয়ার আলোচনা আছে বিএনপিতে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের নেতৃত্ব নিয়মিত শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে চায় বিএনপি।
আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক ছাত্র নেতাদের এখনো মতামত নেননি তারেক রহমান। তবে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের সর্বস্তরে গতিশীলতা আনার।
দলটির নেতারা বলছেন, ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে যারাই আসুক, তাদের জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগঠনের শক্তিশালী অবস্থান ও ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করা।
পড়ুন : বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু


