22.7 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ০:১১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ছেলের কথা না মেনে বাবা করতেন ভিক্ষাবৃত্তি ক্ষোভে, নিজ পিতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে পাষন্ড ছেলে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর এলাকায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে আল আমিন (২৬) নামে একজনকে আটক করেছে ভৈরব থানা পুলিশ। ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে আজ সোমবার ভোর চারটার দিকে পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকার কেবি হাউজের জালাল মিয়ার বাড়ি থেকে মো: হাফিজ উদ্দিন (৬৫) নামে নিহত পিতার লাশ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, নিহত বাবা ও ছেলে দীর্ঘদিন ধরে বাসা ভাড়া নিয়ে একত্রে বাস করে আসছিলেন। তাদের জন্মস্থান বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মনিপুরা গ্রামে।

বিজ্ঞাপন


ঘাতক ছেলে আল আমিন প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে পুলিশকে জানায়, তার বাবা তার অনিচ্ছা থাকা সত্বেও শহরে ভিক্ষাবৃত্তি কওে আসছিলেন। এতে করে এলাকায় তার মান-সম্মাণ ক্ষুন্ন হওয়ায় ক্ষোভে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। আল আমিন পেশায় এক জন বিদুৎ চালিত বিভার্টেক চালক।


পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়ার কেবি হাউজের জালাল মিয়ার বাড়িতে রোববার রাত দেড়টার সময় পাশের বাসিন্দা চিৎকার-চেচামেচি শুনতে পেয়ে এগিয়ে যান। এসময় তাদের কক্ষের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলে কোন সাড়া না পেয়ে রাতেই জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে ঘটনার বর্ণনা করেন। পরে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে দেখতে পায় কক্ষে ভিতরে নিহত বৃদ্ধের রক্তাক্ত মরদেহটি মাটিতে পড়ে আছে। ধারণা করা হচ্ছে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এসময় ছেলে আল আমিনকে নিজ শয়নকক্ষ থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।


এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ফুহাদ রুহানী জানান, গভীর রাতে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। ধারণা করা হচ্ছে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এসময় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার সন্দেহে ছেলে আল আমিনকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছেন বলেও জানান তিনি ।

পড়ুন: পিরোজপুরে উদ্ধার হওয়া ২৬ মোবাইল, টাকা মালিকদেরকে হস্তান্তর

দেখুন: বৈরী আবহাওয়ায় মরিচ চাষে বিপাকে কৃষক |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন