২৫/০২/২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জগন্নাথ হলে গোলাম আজম, নিজামীর ব্যঙ্গাত্মক ছবি মুছে দিল প্রশাসন

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের রাস্তায় আঁকা যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতা গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী ও কাদের মোল্লার ছবি মুছে দিয়েছে হল প্রশাসন।

বিজ্ঞাপন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ হল সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘চিত্র প্রদর্শনী ও তুলির আঁচড়ে দ্রোহ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে হলের সড়কের মেঝেতে এই ঘৃণাসূচক প্রতিকৃতিগুলো এঁকেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিরাপত্তার দোহায় দিয়ে ছবিগুলো মুছে দিয়েছে হল প্রশাসন। তবে হল প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ছবিগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে হলের রবীন্দ্রভবন ও অক্টোবর স্মৃতি ভবন সংলগ্ন সড়ক এ ছবিগুলো আঁকা হয়, যা মুছে ফেলা হয়েছে রোববার সকাল ১০টার দিকে।

হল সংসদের ভিপি পল্লব বর্মণ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জগন্নাথ হল। ১৪ ডিসেম্বর এই হলের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। আমরা সেই ১৪ ডিসেম্বর স্মরণে ‘তুলির আঁচড়ে দ্রোহ’ নামে একটি কর্মসূচির আয়োজন করি। ওই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তাদের মধ্যে থাকা দ্রোহ দিয়ে এই ছবিগুলো এঁকেছিল।

তিনি আরও বলেন, হল প্রশাসন আমাদের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ছবিগুলো মুছে দিয়েছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে আমরা প্রত্যাখ্যান করি। এই কাজের জন্য হল প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে বলা হবে।

জানতে চাইলে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ পাল বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছবিগুলো এঁকেছিল। তারা অনুমতি নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ছবিগুলো প্রদর্শন করবে। তবে এ ছবিগুলো আঁকার ফলে উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। হয়তো শিক্ষার্থীরা প্রশাসনকে বলে। তাই শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে নির্দেশ দেয় এগুলো মুছে দেওয়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন মহলে কে বা কারা অভিযোগ করেছে, তা আমি জানি না। আমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাই আমি মুছে ফেলেছি।

জানতে চাইলে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা শুধু জিজ্ঞেস করেছি, এগুলো কী। আমরা কোনো নির্দেশ দেইনি।

পড়ুন: মেডিকেল ভর্তির ফল প্রকাশ আজ

দেখুন: সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হাদির সেই ঘটনা

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন