বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এ দুইদিনব্যাপী (১৪ ও ১৫ এপ্রিল) বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এবারের পহেলা বৈশাখ নানা আয়োজনে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের প্রস্তুতি চলছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ রবিবার (১২ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন ক্যাম্পাসস্থ চারুকলা অনুষদে আয়োজিত নববর্ষের শোভাযাত্রার প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন উপকরণ—পাখি, চরকি, সূর্যমুখী ফুল, ফড়িংসহ নান্দনিক শিল্পকর্ম ঘুরে দেখেন।
এবারের বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপনে চারুকলা অনুষদের তৈরি মূল স্ট্রাকচারের মধ্যে রয়েছে পোড়ামাটির ঐতিহ্যবাহী আদলে শান্তির প্রতীক ‘পায়রা’ এবং একটি রঙিন পাখি, যা বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।
পরিদর্শনকালে উপাচার্য চারুকলা অনুষদের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং আসন্ন নববর্ষের অনুষ্ঠানসমূহ সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিতব্য শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বৈশাখী মেলার নির্ধারিত স্থানসমূহও পরিদর্শন করেন।
এ সময় চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা উপাচার্যকে প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং নির্ধারিত কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকজ সংগীত, কনসার্ট ও বৈশাখী মেলাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব উদ্যাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পড়ুন- আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকার : জামায়াত আমির
দেখুন- বেগম জিয়া ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী অন্তঃপ্রাণ: প্রধানমন্ত্রী


