২৬/০২/২০২৬, ২১:৫৫ অপরাহ্ণ
23.3 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ২১:৫৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জমি আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগে সন্তানদের বিরুদ্ধে বাবার সংবাদ সম্মেলন

নেত্রকোনার দুর্গাপুরর উপজেলায় জমি আত্মসাৎ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে নিজ সন্তানদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওলানা মো. আফছর উদ্দিন ফকির (৭৫) নামে এক অসহায় পিতা। তিনি উপজেলার কাপাসাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

আজ রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার প্রথম স্ত্রীর ঘরে পাঁচ ছেলে ও দুই মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে তিন কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর গর্ভজাত ছেলে মো. জামাল উদ্দিন, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. বাদশা, মো. আবুল হোসন ও মো. আবু হানিফ দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জমি আত্মসাৎের চেষ্টায় লিপ্ত।

অভিযোগে তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালে জমি দখল ও নির্যাতনের ঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করেছিলেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে আপোষ হলেও সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৩৯ শতাংশ জমি নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন অভিযুক্ত সন্তানেরা। যখন অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে শয্যাশায়ী ছিলেন, সেই সময় ছেলেরা তার কাছ থেকে মিথ্যা কথা বলে কাগজে স্বাক্ষর নেন। পরে জানতে পারেন, ওই কাগজের ভিত্তিতেই তারা জমি নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করিয়েছেন।

মাওলানা আফছর উদ্দিন বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে থাকা ২০ শতাংশ জমিও জোরপূর্বক দখল করে তাতে ঘর নির্মাণ করেছেন অভিযুক্তরা। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। এসব ঘটনার কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন এবং ইতোমধ্যে দুইবার স্ট্রোক করেছেন। অথচ অভিযুক্ত সন্তানরা তার চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা করেননি। দ্বিতীয় পক্ষের কন্যারাই তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার সন্তানরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, এলাকার কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। আমি বর্তমানে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেকোনো সময় আমার প্রাণনাশ করতে পারে তারা।

জমি ফিরে পেতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান মাওলানা আফছর উদ্দিন।

এনএ/

দেখুন: গাজীপুরে বনবিভাগের প্রায় ১২ হাজার একর জমি বেদখল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন