জমি বেদখল, মারধর এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। শনিবার দুপুরে ইসলামপুর উপজেলার দক্ষিণ চিনাডুলী ইউনিয়নে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লালমিয়া ফকিরের ছেলে ভুক্তভোগী রেজাউল করিম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, চিনাডুলী মৌজার ১২৭৫ নম্বর খতিয়ানের ৪৯৪৭ দাগের মোট ৪৮ শতক জমি বিআরএস রেকর্ডে বাদশা আলম, আশরাফ আলী, জিরাতন ও চিরাতন নেছা—পিতা আমিরউদ্দিন আকন্দের নামে নথিভুক্ত রয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৮৪ ও ১৯৯০ সালে বাদশা আলম ও আশরাফ আলীর কাছ থেকে তাদের নিজ নিজ অংশ সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন লালমিয়া গংরা। এরপর থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখলে রেখে আসছিলেন।
তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি প্রতিপক্ষ হইবর গংরা তাদের নিজস্ব ১৬ শতক জমি না নিয়ে লালমিয়া গংদের ক্রয়কৃত জমিতে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সুধীজনের উদ্যোগে একাধিকবার সালিস বৈঠক হলেও প্রতিপক্ষ সেখানে উপস্থিত না হয়ে তা অমান্য করে এবং পেশিশক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১০ মার্চ এ ঘটনার জেরে লালমিয়া গংদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং তাদের মারধর করা হয়। একই সঙ্গে জমি জবরদখল করে উল্টো লালমিয়া গংদের আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফিরুজ খান লোহানী, নাগরিক টিভির জামালপুর জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল লোমান, দৈনিক আলোকিত সকালের রফিকুল ইসলাম রঞ্জু, গণমুক্তির ফারুক আল আজাদ বকুল, দৈনিক সংগ্রামের মনির হোসেন, মফিজ, মাই টিভির মাইনুলসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পড়ুন- ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
দেখুন- বেগম জিয়ার কথা স্মরণ করে সংখ্যালঘু নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল


