28.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১৮:৩২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে অবৈধ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন

জয়পুরহাটে অবৈধ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতারা। বিকেলে শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতাদের স্বপদে বহাল করা এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তির দাবি জানান জয়পুরহাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব পিয়াস আহমেদ পৃথিবী এবং জয়পুরহাট শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাসানুল বান্না হাসান। এ সময় বহিষ্কৃত অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

তারা অভিযোগ করেন, অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদল শাখার কাউন্সিল করতে বাধা দেওয়ার পর ষড়যন্ত্র করে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। অথচ জীবন বাজি রেখে বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছর জেল-জুলুম, হুমকি ও নানা নির্যাতন সহ্য করে জয়পুরহাটে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন তারা। কিন্তু আজ কুচক্রী মহলের চক্রান্তে অন্যায়ভাবে তাদের দল থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তারা আরও জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে বহিষ্কৃতদের স্বপদে বহাল না করা হলে রবিবার থেকে অনশন কর্মসূচি শুরু করা হবে। পাশাপাশি ছাত্রদলের তিন শতাধিক নেতা-কর্মী গণহারে পদত্যাগ করবেন বলেও সংবাদ সম্মেলন থেকে আলটিমেটাম দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় জয়পুরহাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের এক এসআইসহ অন্তত সাতজন আহত হন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। কাউন্সিল ঘিরে কলেজ এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতারা তা সম্পন্ন করতে পারেননি। গত ১৬ আগস্ট দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ সাত নেতাকে শোকজ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রদল তাদের বহিষ্কার করে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন :জয়পুরহাটে ৭ ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন