বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে আদালত অবমাননায় আইনজীবীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

জয়পুরহাটে আদালত অবমাননার দায়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাড. আব্দুল মোমেন ফকিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (০৮ জুলাই) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিশীথ রঞ্জন বিশ্বাস এ আদেশ দেন। আগামী ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আদালতের প্রাপ্ত কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছে, গত ৫ জুলাই আব্দুল মোমেন ফকির তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম এবং একটি আদেশ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রয়াত আইনজীবী গোলাম রব্বানীর শোকসভা নিয়ে বিচারককে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করেছেন।

ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট আদালতে উপস্থাপন করে বলা হয়েছে, এসব মন্তব্য সমাজে আদালত ও আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নেতিবাচক ধারণা ছড়াতে পারে। এমনকি সাধারণ মানুষকে আদালতের প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত করে তুলছে, যা সমাজে শৃঙ্খলা বিনষ্টের আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, একজন আইনজীবীর কাছ থেকে এমন আচরণ কখনোই প্রত্যাশিত নয়। এ ধরনের পোস্ট প্রচলিত আইনে ফৌজদারি অপরাধের সামিল এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কেন তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে লাইসেন্স বাতিলের আবেদন করা হবে না এবং কেন বিষয়টি মহামান্য হাইকোর্টের দৃষ্টিগোচর করা হবে না মর্মি তাকে ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব নাজমুল ইসলাম জনি (এপিপি) জানান, বার কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী আদালতকে অবজ্ঞা বা অবমাননার মত কোন আচরণ করে থাকলে আদালত তাকে কারণদর্শাতে পারে এবং বারকাউন্সিল তার লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করে রাখতে পারে। তিনি আরো বলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আদালত এবং বিচারকদের বিষয় কোন মন্তব্য করা বা স্ট্যাটাস দেয়া অপরাধের মধ্যেই পড়ে।

পড়ুন: সৈয়দপুরের সংবাদ কর্মীদের নিয়ে জামায়াতের দাওয়াতী সভা অনুষ্ঠিত

দেখুন: আন্দারমানিক মোহনায় ড্রেজিংয়ের শব্দে ব্যাহত ইলিশের প্রজনন

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন