২৪/০২/২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ
20.8 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে গুলশানের বাসায় তারেক রহমান

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গুলশানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে তিনি বাসায় ফিরেন।

এর আগে রাত ১০টার কিছু সময় পর তাকে বহনকারী বাস ও গাড়িবহর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে। সেখানে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারাসহ অসংখ্য নেতাকর্মী ছিলেন। এদিকে বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে তারেক রহমানের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর রায় ও আব্দুল মঈন খান।

প্রায় দেড় যুগের নির্বাসনের পর দেশে ফেরার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতে যান তারেক রহমান। গুলশান থেকে জিয়া উদ্যানের পুরো রাস্তায় তাকে স্বাগত জানান হাজারো নেতাকর্মী। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে দেখে উচ্ছ্বসিত কর্মীরা।

পথে পথে নেতাকর্মীদের অভিবাদন গ্রহণ করেন তারেক রহমান। হাত নেড়ে জানান শুভেচ্ছা। জনস্রোত পেরিয়ে বিকেল পৌনে ৫টায় জিয়া উদ্যান এলাকায় পৌঁছান তারেক রহমান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাবা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে। ফাতেহা পাঠের পাশাপাশি অংশ নেন দোয়া ও মোনাজাতে। শহিদ জিয়ার রুহের মাগফেরাত এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন।

জিয়া উদ্যান থেকে বেরিয়ে ৫টার দিকে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। পথে পথে ছিল জনতার ঢল। জনতাকে সামলাতে হিমশিম খান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রাত ১০টার কিছু পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি প্রবেশ করেন।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তারেক রহমান লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শনিবার তারেক রহমান কোথায় যাবেন, কী করবেন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন