জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘিরে প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এবং চট্টগ্রাম বন্দরে। ফলে কন্টেইনার ছাড় বিলম্ব, বন্দরে জট ও ৪ গুণ কন্টেনার রেন্ট বৃদ্ধি সহ আমদানি খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিল্প কারখানা ও ব্যবসা বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মুলত এনবিআরকে দুই ভাগ করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নীতি নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ করে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। তা বাতিলের দাবীতে গত মাসে কলম বিরতিসহ নানা কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলনে নামেন এনবিআরের আওতাভুক্ত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
একই দাবীতে এনবিআর কর্মকর্তা- কর্মচারীদের পূর্বঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউনের ফলে দেশের কাস্টমস হাউস এবং শুল্ক ষ্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় আমদানী রপ্তানী কার্যক্রমে তৈরি হয় অচালাবস্থা। স্থবির হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। হুমকির মুখে পড়েছে তৈরি পোশাক, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ওষুধসহ দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন খাত।
এই পরিস্থিতিকে ভয়াবহ আখ্য দিলেন বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন পরিচালক খায়রুল আলম সুজন। তিনি নাগরিককে জানান, এই আন্দোলন বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর বিরুপ প্রভাব পড়বে।
দেশের অর্থনীতির স্বার্থে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আন্দোলনকারী ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিজিএমএই এর পরিচালক এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি জানান, আমদানী রপ্তানী মারাত্মক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এই আন্দোলনে।
এদিকে এনবিআরের কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে নতুন করে বন্দরের জলসীমায় আসা জাহাজ জেটিতে ভেড়ানোর সুযোগ পাবে না জানিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষ বলছে, পরিস্থিতির উত্তোরণ না ঘটলে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনের জন্য মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করবে ।
পড়ুন: কুমিল্লায় বিএনপি নেতার পাওনা টাকার চাপে কৃষকদল নেতার আত্মহত্যার অভিযোগ
দেখুন: ইউএনও থাকছেন না মুখ্য নির্বাহী, ক্ষমতা বাড়ছে চেয়ারম্যানের
ইম/


