ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে র্যালী ও সমাবেশ ।
শনিবার (১১ নভেম্বর) আনোয়ারার কালাবীবিরদীঘির মোড়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিনের নির্দেশনায় আয়োজিত র্যালী ও সমাবেশে আনোয়ারা-কর্ণফুলী সংসদীয় আসনের হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী অংশ নেন।
এসময় দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবী জানিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সমাবেশে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এসময় বিএনপি নেতারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জাতীয় জীবনে সংহতি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস রচিত হয়েছিল। বক্তারা এই দিনটিকে গণতন্ত্র মুক্তির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।
এসময় নেতারা আরও বলেন, “বিগত ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু ও পুলিশের বন্দুকের নল উপেক্ষা করে লায়ন হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। বিএনপির এই নেতা বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, মামলা-হামলার মুখে পড়েছেন, এমনকি একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। তবুও তিনি আন্দোলনের মাঠ ছেড়ে যাননি।
কিন্তু সাম্প্রতিক মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দলীয় তৃণমূলে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসন থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ সময় রাজপথে তার কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন না।আওয়ামী লীগের সাথে আতাত করে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ করেছেন। এমন একজনকে ধানের শীষের প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তাতে আনোয়াো-কর্ণফুলীবাসী হতবাক।”বক্তারা জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথের অনুসারী। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এই প্রেক্ষাপটে আমাদের একমাত্র আশা ভরসার প্রতীক জনাব তারেক রহমান আমাদের প্রাণের দাবি— আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে ঘোষিত মনোনয়ন প্রত্যাহার করে লায়ন হেলাল উদ্দিনকে ধানের শীষের প্রতীকে মনোনীত করার দাবী জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাষ্টার রফিক আহমদ।
ফরিদপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আওয়ামী লীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
হাসিনার রাশ ছেড়ে দিয়েছে ভারত? অস্থিরতা বাড়ার শঙ্কা আছে? |


