১৩/০২/২০২৬, ২০:০০ অপরাহ্ণ
24 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ২০:০০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা জাহাজ আটক

জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি চীনা মাছ ধরার জাহাজ আটক ও ক্যাপ্টেন গ্রেফতারের ঘটনায় জাপান-চীন সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনার মুখে পড়েছে। নাগাসাকির উপকূলে পরিদর্শনের নির্দেশ অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করায় জাহাজটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাপান কর্তৃপক্ষ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

জাহাজটিতে ক্যাপ্টেনসহ মোট ১১ জন আরোহী ছিলেন। গ্রেফতার হওয়া ৪৭ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন চীনা নাগরিক। জাপানি কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যম জাহাজটিকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘টাইগার নেট’ মাছ ধরার নৌযান হিসেবে বর্ণনা করেছে।

জাপানের মৎস্য সংস্থার দাবি, পরিদর্শনের নির্দেশ অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করায় বৃহস্পতিবার জাহাজটি আটক করা হয় এবং এর ক্যাপ্টেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, একজন মৎস্য পরিদর্শক জাহাজটিকে থামার নির্দেশ দেন। কিন্তু সেটি নির্দেশ না মেনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে জাহাজটি আটক করা হয়। ২০২২ সালের পর এই প্রথম কোনও চীনা মাছ ধরার নৌযান জব্দ করল জাপান। এ ঘটনায় এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি চীন।

শুক্রবার জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা বলেছেন, বিদেশি জাহাজের অবৈধ মাছ ধরার কার্যক্রম প্রতিরোধে আমরা কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখব।

এ ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপোড়েনে রয়েছে। গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি মন্তব্য করেছিলেন, চীন যদি বলপ্রয়োগে তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করে, তবে জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এতে চীন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।

এর প্রভাব পড়ে দুই দেশের অর্থনীতিতেও। চীনা পর্যটকের সংখ্যা কমে যায়, পর্যটন ও খুচরা খাত সংশ্লিষ্ট জাপানি শেয়ারের দরপতন হয়। কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়তে থাকায় ২০২৫ সালের শেষ দিকে বেইজিং বারবার তাকাইচিকে মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় এবং জাপানকে “আগুন নিয়ে না খেলতে” সতর্ক করে।

এদিকে চীনে সফররত জাপানি শিল্পীদের কয়েকটি অনুষ্ঠান বাতিল হয়েছে, জনপ্রিয় জাপানি চলচ্চিত্রের মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি গত মাসে জাপানের শেষ দুটি পান্ডাও চীনে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিশ্ব গণমাধ্যমে বিএনপির ‘ভূমিধস’ জয়ের খবর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন