ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় শাহ আলম সরকার সাজুকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের রাজমতি সুপার মার্কেটের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সাজু গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি গোবিন্দগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি ও ভোরের কাগজ পত্রিকার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালে জামায়াতে ইসলামীর একটি স্থানীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১৯ এপ্রিল বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শাহ আলম সাজু। এছাড়া সাবেক আ’লীগের এমপি আবুল কালাম আজাদের একান্ত ব্যক্তি ছিলেন। সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি সাংবাদিকতার আড়ালে পলাতক আ’লীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করছেন। বিভিন্ন আ’লগের দীর্ঘদিন ধরে কখনও আত্মগোপনে, কখনও এলাকায় অবস্থান করলেও পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।
অন্য দিকে সচেতন মহলরা বলছেন, অনেক আ’লীগের অনেক পদধারী নেতাকর্মী যারা ৩৬শে জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকতার আড়ালে ছাত্র-জনতার উপর সরাসরি ইন্ধন দিয়েছেন। তারা কেউ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও বিএনপি সেলটার নিয়ে দিব্যি নানা ধরনের অপরাধ করছেন। পাশাপাশি আ’লীগের পলাতক আসামীদের বিভিন্ন ধরনের ম্যাসেস পাঠাচ্ছেন ও তাদের ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করছেন।
অনেকেই সমালোচনা করে বলছেন, পদধারী আ’লীগ নেতা ও ইসকন সদস্যদের নিয়ে জেলার বিভিন্ন প্রেসক্লাবের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করছেন। যাদের মাধ্যমে জেলা যে কোন সময় অপ্রতিকর অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। তাই সাংবাদিকতার নাম ধারী আ’লীগ নেতা কর্মী ও (ভারতীয় গোয়ান্দা সদস্য) ইসকন সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতারে দাবি জানানো হয়েছে।
পড়ুন : পুলিশ সুপার, ওসিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা আদালতে মামলা


