জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় বীর নিবাস নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ঘর নির্মাণের কাজ নিয়ে বারবার দপ্তরে ঘুরেও সমাধান না পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “আমি বীর নিবাস করবো না।”
অভিযোগ অনুযায়ী, চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম বামনা এলাকার বাসিন্দা ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য সরকারের বরাদ্দে বীর নিবাস নির্মাণের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ঠিকাদার বিল না পাওয়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ রেখেছেন বলে জানা যায়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর সঙ্গেও যুদ্ধ করেছেন। সরকারের দেওয়া এই ঘর নির্মাণে অগ্রগতি না থাকায় তিনি গত কয়েকদিনে একাধিকবার উপজেলা কার্যালয়ে যান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে অফিস সহকারীর সঙ্গে ফাইল ঠিক করার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। অফিস সহকারী ৪ শতাংশ অর্থ জমা দিলে বিল ছাড় হবে বলে ইঙ্গিত দেন—এমন অভিযোগও করেন মুক্তিযোদ্ধা।
এদিন সকালে ইসলামপুর প্রেসক্লাব–এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। তাৎক্ষণিক প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি তার এখতিয়ারভুক্ত নয় বলে জানান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তা নূর-এ শেফা মন্তব্য করতে রাজি হননি। অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবো না।”
এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন
পড়ুন: মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ
আর/


