জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জাবিপ্রবির প্রক্টর ও প্রভোস্টসহ ছয় শিক্ষক এবং এক সেকশন অফিসারকে সাড়ে তিনঘণ্টা তালাবদ্ধ করে রাখে একদল শিক্ষার্থী।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত নয়টা থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত প্রভোস্টের রুমে তাদেরকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।
সরেজমিনে খুঁজ নিয়ে দেখা যায়, তালাবদ্ধ জাবিপ্রবির প্রক্টর ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমান মির্জা আজম হলের (প্রস্তাবিত বিজয় ২৪ হল) প্রভোস্ট ড. মুহাম্মদ ফরহাদ আলী,সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুস সাত্তার, তিন হাউজ টিউটর মো. এনামুল হক, আতিকুর রহমান ও তোজাম হোসেন প্রভোস্টের কক্ষে বসে নিজেদের মধ্যে কথা বলছে। একমাত্র ছাত্রহলের সেকশন অফিসার মোহাম্মদ হিজবুল্লাহ চুপচাপ বসে আছে। বাইরে থেকে তালা লাগানো কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে আছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর গত জুলাই মাসে নতুন করে হলের সিট বরাদ্দের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।বর্তমানে যারা হলে থাকছেন তাদের কারোরই বৈধ অনুমোদন নেই। ৫ ফেব্রুয়ারি হলের সিট বরাদ্দের দিন ধার্য করা হলেও শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপ জাতীয় নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি করে সিট বরাদ্দের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান।
এ খবরে শিক্ষার্থীদের আরেকটি গ্রুপ সবাইকে প্রভোস্টের কক্ষে পেয়ে সোমবার রাতের মধ্যে সিট বরাদ্দের দাবি জানিয়ে বাইরে থেকে রুমে তালা লাগিয়ে দেয়।সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলে রাত সাড়ে বারোটার দিকে তালা খুলে শিক্ষকদের বের হয়ে যেতে দেয়া হয়।জানতে চাইলে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ আহমেদ ও ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী।
মাশরুর জামান মোল্লা বলেন, সিট বরাদ্দ দিচ্ছি দিবো করে দীর্ঘ সময় পার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ একদল শিক্ষার্থী সিট বরাদ্দ জাতীয় নির্বাচনের পর দিতে বলছে তাই আমরা আজ রাতের মধ্যেই সিট বরাদ্দের দাবিতে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। হলের সিট বরাদ্দের পর শিক্ষকরা যেতে পারবেন।
রাত সাড়ে বারোটার দিকে শিক্ষকরা বেরিয়ে গিয়ে মাইক্রোবাসে উঠে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।
তালাবদ্ধ হওয়ার ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর ড. সাদীকুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। ভীষণ টায়ার্ড বলে জানান তিনি।
পড়ুন- নেত্রকোনার সামগ্রিক উন্নয়নে ‘ধানের শীষে’র বিকল্প নেই: ডা. মাজাহারুল আমিন
দেখুন- জামালপুরে প্রক্টর, প্রভোস্টসহ অবরুদ্ধ ৬ শিক্ষক, কেনো?


