বিজ্ঞাপন

জ্বালানি তেলের সুখবর: রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু

তেলের সরবরাহ নিয়ে স্বস্তির বার্তা দিয়েছে সরকার। দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে এবং সামনে আরও বড় চালান আসার কথা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে এখন প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিকটন জ্বালানি তেল মজুত আছে। শুধু তাই নয়, এপ্রিল মাসে আরও প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিকটন তেল দেশে পৌঁছাবে, ফলে সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এদিকে ইন্দোনেশিয়া থেকে দুই কার্গো তেল আসছে এবং রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রক্রিয়াও চলছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার।

সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ‘মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে তেল আমদানিতে কাজ করছে সরকার। ভারত থেকে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাওয়ার কথা। এ পর্যন্ত ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে পাওয়া গেছে।

মনির হোসেন চৌধুরী জানান, এবার ঈদ উপলক্ষে মার্চ মাসে, ২০২৫ সালের মার্চের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। সাপ্লাই চেইনে কোনও সমস্যা নেই। সরবরাহ যথার্থ রেখেছে মন্ত্রণালয়। যে কৃত্রিম সংকট দেখা যাচ্ছে, এটা হওয়ার কোনও কারণ দেখতে পাচ্ছি না।

তিনি জানান,  সারাদেশে অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ফুয়েল কার্ডে ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। এজন্য একটি অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে। অকেটন ও পেট্রলচালিত যানের জন্য প্রাথমিকভাবে এই কার্ডের পরিকল্পনা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ৩০ মার্চ পর্যন্ত ডিজেল মজুত আছে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন। ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল দুটি কার্গো থেকে পাওয়া যাচ্ছে ৫৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ডিজেল।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশের জ্বালানির মোট চাহিদার ৬৩ শতাংশ ডিজেল, এর সংকট নেই। অকটেন নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেটি মনস্তাত্ত্বিক।

পড়ুন : জ্বালানি তেল অবৈধ মজুতের তথ‍্য দিলে ১ লাখ টাকা পুরস্কার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন