ঝিনাইদহে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত কৃষক দল নেতা তরু মিয়ার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছে বিএনপি।
শনিবার বেলা ১২ টার দিকে ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দলটির নেতাকর্মী ছাড়াও নিহতের স্বজনরা বক্তব্য রাখেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা, হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান।
তবে এ ঘটনায় আজ সকালে নিহতের ছেলে শীপন মিয়া ৫১ জনকে আসামী করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন ।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দুপুরে ইফতারের আয়োজন নিয়ে নারী কর্মীদের সাথে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে মহিলা কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে কৃষকদল নেতা তরু মিয়ার অবস্থা গুরুতর হলে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। সেখানে রাত ৮ টার দিকে মারা যায় তরু। নিহত তরু ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল শেখ জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে । ৫১ জনকে আসামী করে নিহত তারুর ছেলে শীপন মামলাটি করেছে । আসামী ধরার চেষ্টা চলছে ।


