34.4 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ১৬:২৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ঝিনাইদহে পৃথকস্থানে বজ্রপাতে দুই কৃষক নিহত

ঝিনাইদহে বজ্রপাতে মিরাজুল ইসলাম (২৪) ও অলিয়ার রহমান (৫২) নামে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মিরাজুল ধান কেটে মাঠ থেকে বাড়ী ফেরার সময় এবং অলিয়ার মাঠে ধান কাটা অবস্থায় বজ্রপাতের শিকার হন ।

বিজ্ঞাপন

মাঠে ধান কাটার কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন তারা।

আজ মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের পশ্চিম বিষয়খালী ও মহারাজপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহত মিরাজুল ইসলাম গান্না ইউনিয়নের পশ্চিম বিষয়খালী গ্রামের শাহাজ্জেল হোসেনের ছেলে। অপর নিহত ব্যক্তি অলিয়ার রহমান মহারাজপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

স্থানীয় স্বাস্থ্য সহকারী জাহাঙ্গীর আলম ও স্বজনরা জানায়, সকালে মাঠে ধান বাঁধতে যান মিরাজুল। সকাল সাড়ে ১০টার পরে আকষ্মিক বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় অন্যরা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিলেও বজ্রপাতের কবলে পড়েন মিরাজুল। পরে আহতাবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে অপর নিহত অলিয়ার রহমানের স্বজনরা জানায়, সকালে মাঠে ধান গোছানোর কাজে বাড়ি থেকে বের হন অলিয়ার। বেলা ১১টার দিকে তুমুল বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় মাঠে থাকাবস্থায় বজ্রপাতে গুরুত্বর আহত হন তিনি। এসময় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত খালিদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে আহত দুই কৃষক হাসপাতালে পৌছানোর আগেই মারা যান।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের শিকার হয়ে দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। মরদেহ দুটি সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ এ ব্যাপারে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বজ্রপাতে দুই কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

পড়ুন: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাদা পোশাকে কিশোরী উদ্ধার করতে এসে পুলিশসহ আহত ৪

দেখুন: ঝিনাইদহের ‘ভাইরাল গেটম্যান’ সুমি একাই একশ | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন