দক্ষিণী মেগাস্টার যশের পরবর্তী সিনেমা ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ট্রেলার বা ঝলক প্রকাশের পরপরই ছবির ‘টক্সিক’ বিষয়বস্তু নিয়ে সাধারণ দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে বিভাজন দেখা গেছে। এরই মাঝে ভাইরাল হয়েছে যশের পুরোনো একটি মন্তব্য। যশের সেই আগের ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের একাংশ তাকে ‘দ্বিমুখী’ বলে কটাক্ষ করছেন।
সিনেমাটির ঝলকে দেখা যায়, রণক্ষেত্রের মাঝে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই যশের সঙ্গে এক নারীর অতিঘনিষ্ঠ দৃশ্য। খ্রিস্টান গোরস্থানে গোলাগুলি ও মারপিটের দৃশ্যের মাঝে কেন এমন যৌনদৃশ্য ব্যবহার করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
সমালোচকদের দাবি, এই দৃশ্যটি কেবল দর্শক টানার জন্য সস্তা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা আদতে নারীবিদ্বেষী মানসিকতাকে উসকে দেয়। এমনকি নেটপাড়া থেকে এই দৃশ্য সরিয়ে ফেলার দাবিও উঠেছে।
বর্তমান বিতর্কের মাঝেই ভাইরাল হয়েছে যশের এক পুরোনো সাক্ষাৎকার। যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এমন কোনও দৃশ্যে কোনও দিন অভিনয় করব না, যা আমি আমার বাবা ও মায়ের সঙ্গে বসে দেখতে পারব না।’
সামাজিক মাধ্যমে যখন এক পক্ষ যশের সমালোচনায় মুখর, অন্য পক্ষ তখন তার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ভক্তদের দাবি, সময়ের সঙ্গে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়। অভিনেতার বিবর্তন হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারও মতে, পুরো সিনেমা না দেখে কেবল একটি দৃশ্য দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়।
তারকাবহুল ‘টক্সিক’ এই ছবিতে যশের বিপরীতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গেছে বেয়াট্রিজ টফেনবাককে। এ ছাড়া সিনেমাটিতে রয়েছেন একঝাঁক তারকা— কিয়ারা আডবাণী, নয়নতারা, রুক্মিণী, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরেশি ও নওয়াজউদ্দীন সিদ্দীকী। অনেকেরই ধারণা, এই সিনেমাটি হয়তো সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমার রেকর্ডকেও চ্যালেঞ্জ জানাবে।
পড়ুন: বাংলাদেশের তিন দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিত্যক্ত কয়েকটি বিমানঘাঁটি চালু করছে ভারত
দেখুন: এবারের নির্বাচন ঋণখেলাপিদের সংসদের বাইরে পাঠানোর নির্বাচন: হাসনাত আবদুল্লাহ
ইম/


