টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার মজনু মিয়ার ছেলে
মো. মৃদুল (১৫), আব্দুর রহমানের ছেলে রায়হান কবীর (১৬) এবং সাজিব উদ্দিন। পুথির মালার সূত্র ধরে আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- গত ১ ফেব্রুয়ারী সকালে ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের এক পরিত্যাক্ত ঘর থেকে শিশুর অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ধনবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই শিশু গত ২৬ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মামলার পর প্রথমে দুইজনেক গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে কোন সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ না পাওয়ায় পুনরায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে ঘটনাস্থল পাশে পরিত্যক্ত অন্য একটি ঘর থেকে পুথির মালা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পুথির মালার সূত্র ধরে হত্যাকান্ডে সাজিব উদ্দিনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সোমবার দুপুরে ওই শিশু হত্যা মামলায় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে একটি মানববন্ধন অংশ নেয় সাজিব উদ্দিন।
পরবর্তীতে সেই মানববন্ধন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সাজিবকে জিজ্ঞাসাবাদকালে মৃদুল ও রায়হান কবীরের নাম জানা যায়। সাজিব জানায় মৃদুল ও রায়হান ওই শিশুকে ধর্ষণের করে হত্যা করে। হত্যা করার পর কৌশলে তারা লাশ গুম করার জন্য পরিত্যক্ত বাড়িতে স্টিলের ট্রাংকের ভিতর লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে সাজিবের দেয়া তথ্যমতে মৃদুল ও ২। রায়হান কবীরকে গ্রেপ্তার হয়। পরে তারা পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করে। পরে গ্রেপ্তারকৃত ৩জন মঙ্গলবার টাঙ্গাইল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হত্যাকাণ্ডের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

