০২/০৩/২০২৬, ৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ
22.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সাগরে ট্রলারে ডাকাতিঅর্ধশত জেলে আহত, মাছসহ রসদ সামগ্রী লুট

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ১০ ট্রলারে গন ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ সহ অর্ধশত জেলে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ট্রলারে থাকা মাছসহ রসদ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুদরা। তবে জলদস্যু বাহিনীর নাম জানা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

বুধবার গভীর রাতে পাথরঘাটা থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ পুর্বে বড় বাইজদা এলাকায় এ গন ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

ডাকাতি হওয়া ট্রলারের মধ্যে পাথরঘাটার সগির কোম্পানির মালিকানা এফবি তারেক -২, এফবি তুফান-২ ও সেলিম চৌধুরীর মালিকানা এফবি মা। ১০ টি ট্রলারের অন্তত ৬০ জেলের মধ্যে অর্ধশত জেলে গুলিবিদ্ধ ও মারধরে আহত হয়েছে। জেলেদের সবার বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

এফবি মা মাঝি মনির হোসেনের বরাত দিয়ে মালিক সেলিম চৌধুরী বলেন, বুধবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ স্বশস্ত্র হামলা চালায় জলদস্যু বাহিনী। এ সময় জেলেরা বাঁধা দিলে ছেলেদের উঠে মারধর করে এবং দূর থেকে গুলি ছোড়ে এতে দশটি ডলারের অন্তত ৫০ জন জেলে গুলিবিদ্ধ এবং আহত হয়। প্রত্যপ্রদর্শী অপর একাধিকজেলেরা আমাদেরকে ফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তবে কোন বাহিনী জলদস্যুতা করেছে তাদের নাম পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের জেলেদের সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি, তারা নেটওয়ার্কের বাহিরে আছে। জেলেদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। এখন পর্যন্ত তারা কি অবস্থায় আছে বা চিকিৎসা নিতে পেরেছে কিনা এমন কোন খবর পাওয়া যায়নি।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলারে মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ডাকাতের খবর শুনেছি তাৎক্ষণিক আমরা পুলিশ সুপার এবং কোস্টগার্ডকে অবহিত করেছি। ডাকাতি হওয়া জেলেদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করছি।

বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, মালিকদের পক্ষ থেকে খবর আমরা জানতে পেরেছি। জানিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নিচ্ছি।

পড়ুন: গভীর সাগরে ১২৫ নারী-শিশুসহ ইন্দোনেশিয়াগামী নৌযান ধরল নৌবাহিনী

দেখুন: সাগরে আবারো দা/ন/ব নামালেন খা/মে/নি; আ/মে/রি/কা/র জন্য ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন