আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে বাড়ি যাচ্ছে মানুষজন।
ভোগান্তির পর শেষ মুহুর্তে ঢাকা-টাঙ্গাইল- যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই তেমন পরিবহন। এতে মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা লক্ষ করা গেছে। ফলে কোন ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষজন।
শুক্রবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল- যমুনা সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তেমন পরিবহন উত্তরবঙ্গের দিকে যেতে দেখা যায়নি। দুই-তিনটা করে পরিবহন গতি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়াও মহাসড়কে তেমন কোন যাত্রীও নেই। তবে কিছু মানুষজন বাস না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে এ মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে অন্তত ৩০ কিলোমিটার থেকে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছিলো। এতে ভোগান্তিতে পরতে হয়েছিলো ঈদে ঘরমুখো মানুষকে৷
৩ ঘণ্টার সড়ক পাড়ি দিতে ৬- থেকে ৮ ঘণ্টা লাগে
এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, আজ মহাসড়কে পরিবহন খুবই কম। মহাসড়কই একেবারেই ফাঁকা। তবুও মহাসড়কে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছেন।
এ প্রসঙ্গে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে । এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষনিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি৷
পড়ুন- ইরানি তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন অর্থমন্ত্রী


