ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কাঁচপুরে বাসের হেল্পার সেজে অভিনব কায়দায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে৷ এ সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কুরিয়ার কোম্পানির আঞ্চলিক ম্যানেজার গুরতর আহত হয়। ২০ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার ভোররাতে এমন ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া স্টিডফাস্ট কুরিয়ার ম্যানেজার ফরহাদ মিয়া (২৬) বলেন, আমি রূপগঞ্জে স্টিডফাস্ট কুয়িারের ম্যানেজার পদে কর্মরত রয়েছি। গত ১৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার নিজ বাসা থেকে দিবাগত রাতে রংপুর থেকে কর্মস্থল রূপগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হই। বাস থেকে সাইনবোর্ড বাসস্ট্যান্ড নেমে পুনরায় মেঘলা বাসে করে গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই৷ তখন ভোর প্রায় ৪: ৩০ মিনিট বাসে ছিলাম। এ সময় আমি এবং একজন মহিলা যাত্রী বাসটি ছাড়ার পর কিছুদূর আসার পর কাঁচপুরের দিকে না এসে মদনপুরের দিকে চলে যেতে থাকে। তখন আমি হেলপার কে জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার বাস এদিক দিয়ে কেন? হেল্পার বললো, রাস্তায় জ্যাম আছে তাই মদনপুর হয়ে গাউছিয়া যাব। বাস একটু এগুনোর পর হেল্পার হঠাৎ করে আমাকে ছুরি ধরে আমার কাছে যা যা আছে সব কিছু দেয়ার ভয় দেখায়। একপর্যায়ে তর্কের জেরে অজ্ঞাত নামীয় হেল্পারের হাতে থাকা সুইচ গিয়ার ছুড়ি দিয়ে আমার পায়ে পোচ মারে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে আঘাত করলে আমি গুরুত্বর আহত হই। এ সময় আমার সাথে থাকা ক্যাশ প্রায় ৯ হাজার,৭শত টাকা এবং আমার সাথে দুটি এনড্রয়েড মোবাইল ফোন জোর করে নিয়ে যায়। যার সিম নাম্বার ১। ০১৮৯০২৭৩৬৩৮, ২। ০১৫৬৭৮৭৩১০২। পরে বাস থেকে ফেলে দিলে আমাকে অচেতন অবস্থায় সিএনজি চালক গাউছিয়া এনে নামিয়ে দেয়৷ পরে লোকমারফত আমাকে ডিকেএমসি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাসের লাস্ট নাম্বারটা আমি আমার চোখে ঝাপসা ভাবে দেখতে পারি। মেঘলা পরিবহনের একটি বাস। যার শেষাক্ষর ৭৭ মনে আছে৷
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সবজেল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে৷ আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
পড়ুন : রূপগঞ্জে চাঁদা না দেয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, কোটি টাকার মালামাল লুট


