বিপিএলের দ্বাদশ আসরে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির পাঁচটিই যখন ক্রিকেটারদের বকেয়া পরিশোধ করেছে, তখনও ঢাকা ক্যাপিটালস খেলাপির তালিকায়। বিপিএল শেষ হয়েছে দেড় মাসের বেশি হলেও ঢাকার টাকা পরিশোধে তেমন অগ্রগতি নেই। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল থেকে জানা গেছে, দেশি-বিদেশি ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফ মিলে তিন কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির। বিপিএলের টাকা পেতে ক্রিকেটাররা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দিকে তাকিয়ে থাকলেও সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে না মালিকপক্ষের ঢিলেমির কারণে।
ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিকানা নিয়েছে চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস। এই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স মিজানুর রহমানের নামে। তিনি মূল মালিক হলেও সিইও আতিক ফাহাদ সামনে ছিলেন ‘শেয়ারহোল্ডার’ হিসেবে। বিপিএলে ঢাকার অনিয়মের দায়ভার তাঁর ওপরই বর্তেছে। ক্রিকেটারদের বকেয়া পরিশোধ না করার দায় সিইওকে দেওয়া হলেও পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছেন অন্য কেউ। রিমার্ক গ্রুপ থেকে ব্যাংক জামানত দেওয়া বিসিবি চাইলেও সেটি নগদ করে ক্রিকেটারদের বকেয়া পরিশোধ করতে পারছে না।
চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টসের মালিক মিজানুর রহমানের অনুরোধে বিসিবির সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন ব্যাংক জামানত নগদ করতে দিচ্ছেন না বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে। এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে শাখাওয়াতকে ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
এ পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের বকেয়া নিয়ে জানতে চাওয়া হলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘ঢাকা ক্যাপিটালসের দায়িত্ব এখন মিজানুর রহমান নিয়েছেন। তারা টাকা পরিশোধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই কদিনে ৭০ লাখ টাকার মতো পরিশোধ করেছে। আশা করি, বাকি টাকা শিগগিরই দিয়ে দেবে। নিয়ম অনুযায়ী আমরা আগে দুবার চিঠি দিয়েছি, আজ তৃতীয় চিঠি দেওয়া হয়েছে চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টসকে। এর মধ্যে তিন কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করা না হলে ব্যাংক জামানত ভাঙিয়ে আমরা দিয়ে দেব।’
এ ব্যাপারে চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টসের মালিক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা ব্যাংক গ্যারান্টি ফেরত নেব। তাই নিজেরাই ক্রিকেটারদের বকেয়া পরিশোধ করছি। কারণ, ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়েছে রিমার্ক গ্রুপ। বেশির ভাগ ক্রিকেটারের টাকা দেওয়া হয়েছে। এক কোটি টাকার মতো বকেয়া আছে। ঈদের আগেই পরিশোধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
পড়ুন:সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
দেখুন:সরকারী অফিসে কর্মকর্তার গোপন কক্ষ, রয়েছে অনৈতিক কাজের উপকরণও |
ইমি/


