ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্তবাসে রাতভর নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রুমেলিয়া সিরাজাম তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত অপরজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জবানবন্দিকারীরা হলেন- বাসের চালক মো. আলতাফ ও বাস চালকের সহকারী মো. রাব্বি।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় বাসের চালক, হেলপার, ও চালকের সহকারীসহ চার জনের নামে মামলা দায়ের করে।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ১১ টার দিকে সাভারের রেডিওকলোনী থেকে আশুলিয়া যাবার জন্য সাভার পরিবহনে উঠেন ওই নারী। পরে অন্যান্য যাত্রীরা বাস থেকে নামার পর ওই নারীকে জোর করে আটকে রেখে সাথে থাকা স্বর্ণালঙ্কার, টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। পরে বাসটি বিভিন্ন জায়গায় ওই নারীকে রাতভর গণধর্ষণ করে। পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া আন্ডার পাস এলাকায় মহাসড়কের উপর সন্দেহজনক অবস্থায় দাঁড়ালে হাইওয়ে পুলিশ বাসটিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা জানতে পারে। পরে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি রুহুল আমিন এ প্রতিবেদকে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন আসামীকে টাঙ্গাইল আদালতে তোলা হয়। এর মধ্যে দুইজন জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের বিচারক ৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২০ মে রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে আল ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানীরও ঘটনা ঘটেছিলো। এ ঘটনায় তখন দেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
পড়ুন- জয়পুরহাটে দুটি আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ জন
দেখুন- হাকিমপুরে এসিল্যান্ডের কর্মকাণ্ড ঘিরে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া


