১১/০২/২০২৬, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

তামাবিল ইমিগ্রেশন দিয়ে ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো ভারত

ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকের পর বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগের পর দেশে ফিরেছেন ১৪ বাংলাদেশি নাগরিক।

বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতীয় বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবি’র উপস্থিতিতে এই ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠায় ভারত।

তামাবিল ইমিগ্রেশ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভারত থেকে ফেরা ১৪ বাংলাদেশি নাগরিক বিভিন্ন সময় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ওয়েস্ট গারো হিলস জেলার তুরা কারাগারে ১৪ জন বাংলাদেশী নাগরিকের কারাভোগ শেষ হওয়ায় বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিজিবি-বিএসএফ’র উপস্থিতিতে তাদেরকে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের নিকট হস্তান্তর করে।
দীর্ঘ কয়েক মাস জেল খেটে তাঁরা বুধবার তামাবিল দিয়ে দেশে ফেরত আসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ এসআই মো. শামীম মিয়া।

তাঁরা হলেন, জামালপুরের বক্সিগঞ্জ থানার মো. উমর ফারুখ (২৬), কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর থানার মোঃ হুমায়ুন কবির (২৬), শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি থানার মোঃ রাসেল মিয়া (২০), ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার মোঃ সুজন মোল্লা (৩৬), নরসিংদীর শিবপুর থানার মোঃ ইউসুফ মিয়া (২৩), রাজশাহীর গোদাগঞ্জ থানার মো. সাহেব আলী (২৩), একই এলাকার মো. মিজানুর রহমান (২৬), মো. সোহেল রানা (২৫), মো. আবু বক্কর (২৩), মো. আব্দুল করিম (৪৫), নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার মো. শামীম (৩৭), একই এলাকার মোঃ হাবিবুল্লাহ (৩৪), মোঃ নাজির আহমেদ (৪০), ময়মনসিংহের মুক্তাগাছি থানার মো. বিপ্লব মিয়া (২২)।

তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ এসআই শামিম মিয়া জানান, দুই দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বিএসএফ ও বিজিবির মাধ্যমে ১৪জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে পাঠানোর পর আইনীপ্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আত্মীয়-স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভারত সীমান্তে হয়রানির শিকার বাংলাদেশিরা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন