২১/০২/২০২৬, ২২:২৮ অপরাহ্ণ
25.7 C
Dhaka
২১/০২/২০২৬, ২২:২৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

তিন জেলার আকস্মিক বন্যা কেন দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে?

আকস্মিক বন্যার পানি সাধারণত দুই-তিন দিনেই নেমে যায়। দেশের পূর্বাঞ্চলের হড়কা বানে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। জলাবদ্ধতা কমছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উজানের দেশের বাঁধের দায় আছে, তবে আমাদের দায়ও কম নয়। বন্যার পানি স্বাভাবিকভাবে চলে যাওয়ার অবস্থাটা আমরাও রাখিনি।

বিজ্ঞাপন

দেশের সিলেট বিভাগ ও তিস্তা অববাহিকায় প্রতিবছরই একাধিকবার আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। তা বেশি দিন স্থায়ী হয় না। কিন্তু ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বন্যায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। এখানে পানি নামছে ধীরে।

বন্যার প্রধানত ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদীগুলোর উজানে জলাধার, বাঁধ ও ব্যারাজ নির্মাণ করা হয়েছে, যা নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি আছে মানবসৃষ্ট কারণ। আমাদের দায়ও কম নয়।

এসব এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ ও নগরায়ণ হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত মাটির নিচে নামতে পারছে না। দ্বিতীয়ত, জলাভূমি ও প্লাবনভূমিগুলোর বড় অংশ বেদখল হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোর মধ্যে আন্তসংযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বন্যা মোকাবিলায় যেসব বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, তা নদীর সঙ্গে প্লাবনভূমির যে সম্পর্ক ছিল, তা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় বনভূমি কৃষিজমিতে রূপান্তর করা হয়েছে। ফলে ভূমি থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি গিয়ে নদীতে পড়ে। এতে নদীর তলদেশও উঁচু হয়ে উঠছে। বাধা পাচ্ছে নিষ্কাসন ব্যবস্থা।

বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে প্লাবনভূমির মধ্যেও সড়ক নির্মাণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা তৈরি করা হয়েছে। বাঁধ ও নানা অবকাঠামোর কারণে নদীতীরবর্তী এলাকার তাপমাত্রাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বৃষ্টিপাত বেড়ে গেছে। তাই বেড়েছে বন্যার প্রবণতা।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন