তুরস্কে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ যেন থামছেই না। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান এই বিক্ষোভকে ‘জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন’ হিসেবে উল্লেখ করে বিরোধী দলকে পুলিশের ওপর হামলা ও সম্পদ ধ্বংসের জন্য জবাবদিহি করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গত পাঁচ দিনে ১ হাজার ১৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মধ্যে সাংবাদিকও রয়েছেন। আন্দোলনের সময় ১২৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী একরেম ইমামোগলুর গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে ষষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে। ইমামোগলু তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল সিএইচপির নেতা। তার সমর্থকদের দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অগণতান্ত্রিক।
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তুরস্কের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগই তরুণ, যারা এরদোয়ান ছাড়া অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট দেখেননি।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, এরদোয়ান বিক্ষোভকে উস্কানি দেওয়ার জন্য সিএইচপিকে দায়ী করেছেন। তবে সিএইচপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গ্রেপ্তার সত্ত্বেও সিএইচপি ইমামোগলুকে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। সমালোচকরা মনে করছেন, ইমামোগলুর জনপ্রিয়তার কারণে এরদোয়ান তাকে গ্রেপ্তার করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে তুরস্কে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।
এনএ/


