বিজ্ঞাপন

তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধ বালু তোলার অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান, ড্রেজার মেলেনি

চরফ্যাশনে বাবুরহাট লঞ্চঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন


আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে বাবুরহাট লঞ্চঘাট ও বকশী লঞ্চঘাট এলাকায় এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এমাদুল হোসেন।
অভিযান চলাকালে নদীতে অবৈধ কোনো ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাতের বেলা ও খুব ভোরে ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু কেটে দ্রুত পালিয়ে যায়।


এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এমাদুল হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো ড্রেজার পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিছু ব্যক্তি রাতের বেলা ও ভোরে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে থাকে।
তিনি আরও বলেন, নিকটবর্তী শিকদারের চর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নিলামকৃত বালু বিক্রি ও পরিবহন করা হচ্ছে, যা আইনত বৈধ।


অভিযানকালে স্থানীয়দের ভবিষ্যতে কেউ নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বালু ব্যবসায়ীদের সবসময় বালু ক্রয়ের বৈধ রশিদ সংরক্ষণে রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে বাবুরহাট লঞ্চঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের কারণে নদী তলদেশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে এবং নদী রক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এতে নজরুলনগর ও মুজিবনগর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ নদী ভাঙনের আশঙ্কায় রয়েছেন।

পড়ুন- জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা

দেখুন- বগুড়া ও খুলনায় ইল্লিয়ীনের মাল্টি-ব্র্যান্ড স্টোরের যাত্রা শুরু 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন