পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভুটুজোত পাঠানপাড়া দাখিল মাদরাসার সুপারিন্টেনডেন্ট আব্দুল আজিজের কাছে তথ্য চেয়ে আবেদন করা হলেও বিভিন্নভাবে টালবাহানা করছেন তিনি।
নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় এক সংবাদকর্মী তথ্য অধিকার আইনে নির্দিষ্ট ফরমে মাদ্রাসার সহ-সুপারসহ চারটি পদে নিয়োগ বিষয়ে তথ্য চেয়েছেন। প্রায় একমাস ঘুরিয়ে সোমবার (১৩ অক্টোবর) সংবাদকর্মীকে মাদ্রাসার সুপার বলেন, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি তথ্য দিতে নিষেধ করেছেন। তবে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির আহবায়ক আনিছুর রহমান বলেন, তথ্য বিষয়ে সুপারের সাথে আমার কথা হয়নি। নিয়মানুযায়ী তথ্য অবশ্যই দিতে হবে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে বজলুর রহমান নামের এক সংবাদকর্মী বলেন, শিক্ষক কর্মচারীরা জনগণের করের টাকায় বেতন পান। তথ্য গোপন করার অধিকার তাদের নেই। সাংবাদিকরা যখন তথ্য চায়, তখন তাদের সহযোগিতা করার কথা। কিন্তু এখানে ঘটছে উল্টো চিত্র।শুধু সাংবাদিক না,দেশের যে কোন নাগরিক তথ্য চাইতে পারেন।যদি সেটা দেওয়ার মতো হয় অবশ্যই দিতে হবে।
ভুক্তভোগী সাইদুজ্জামান নামের ওই সংবাদকর্মী বলেন, অভিযোগ রয়েছে মাদরাসার সুপার পূর্বের তারিখ দেখিয়ে, অর্থের বিনিময়ে, ভুয়া যোগ্যতা সনদে প্রতিষ্ঠানে চারজনকে নিয়ম বহির্ভূত নিয়োগ দিয়েছেন।এর কিছু তথ্যের জন্য আবেদন করেছি কিন্তু তিনি তথ্য না দিয়ে হয়রানি করছেন।
পড়ুন: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম) আশরাফুল হকের ঘুষ বাণিজ্য
দেখুন: পটুয়াখালীতে গণপূর্তের পরিত্যক্ত ২৬ ভবন অপরাধীদের আশ্রয় |
ইম/


