পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নে সাড়ে ৭ লাখ টাকা বরাদ্দের কাজ শেষ না করেই পুরো বিল তোলার পাঁয়তারা করছেন প্রকল্প সভাপতি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসাইন।যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে কাজ না করে বিল তোলার কোন সুযোগ নেই।
সম্প্রতি প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ক্যানেলের দুই পাশে রাস্তা হিসেবে সমান রয়েছে।প্রকল্প এলাকায় নেই কোন সাইনবোর্ড।তবে স্থানীয়দের দাবী ক্যানেলের দুই পাশে রাস্তা হিসেবে ধরা হলেও তাদের কোন কাজে আসে না রাস্তাটি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে তিরনইহাট ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া বাংকুর বাড়ি হইতে নতুন ব্রীজ হয়ে হাকিমপুর আব্দুল আজিজের বাড়ি পর্যন্ত ক্যানেলের দুই ধারে রাস্তা নির্মাণ ও মাটি ভরাট কাজের জন্য সাড়ে ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।বরাদ্দের শর্তাবলীতে উল্লেখ ছিল, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে এবং প্রকল্পের বর্ণনাসহ যথাযথ সাইজের সাইনবোর্ড দৃশ্যমান স্থানে স্থাপন করার কথাও বলা হয়।গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রকল্পের অর্ধেক ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়।কিন্তু ৫ মাস পার হলেও কোন কাজ না করেই প্রকল্পের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসাইন পুরো বিল তোলার পাঁয়তারা করছেন দাবী স্থানীয়দের।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তি আমজাদ ও বেলাল হোসেন বলেন, ক্যানেলে একটি ব্রীজ করে রেখেছে যেটা কোন কাজে আসেনা। এবিষয়ে সাংবাদিকদের বলতে গিয়ে চেয়ারম্যান আমাদেরকে ইচ্ছামতো গালিগালাজ করেছে।শুনেছি এবার ক্যানেলের দুপাশে রাস্তায় মাটি ভরাটের জন্য বরাদ্দ হয়েছে।এখন পর্যন্ত কোন কাজ হয়নি আর কাজ হলেও মানুষ কোন সুযোগ সুবিধা পাবেনা।
তিরনইহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসাইন বলেন, এ প্রকল্পের বিষয়টা ডিসি ও ইউএনও স্যার জানে।ক্যানেলের উপর ব্রীজ হয়েছিল কিন্তু কোন রাস্তা ছিল না।পরে ক্যানেলের দুপাশে রাস্তা করে দিয়েছি, চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দে প্রকল্প দিয়ে সমন্বয় করার কথা।
তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম শাহ বলেন,প্রকল্পের অর্ধেক বিল দেওয়া হয়েছে, কাজ দেখে বাকী বিল পরিশোধ করা হবে।
পড়ুন- এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে দালালির টাকা ফেরত পেলেন মঞ্জুরা, দালালকে সতর্ক
দেখুন- ক্ষমতায় বসেই পিতৃ হ/ত্যা/র প্রতিশোধ নেওয়া শুরু মোজতবার?


