১১/০২/২০২৬, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্যে শিশুদের খেলার মাঠ থেকে মিলল ১৭৫টি যুদ্ধবোমা

যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম রাজ্য ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নর্থাম্বারল্যান্ডের উলার শহরে, একটি শিশুদের খেলার মাঠের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ১৭৫টি বোমা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে এ বোমাগুলো তৈরি করা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শহরের স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ উলার প্যারিশ কাউন্সিলের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি ও এএফপি।

এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে প্যারিশ কাউন্সিল জানিয়েছে, গত জানুয়ারির শেষ দিকে ওই মাঠের মাটির নিচে বোমা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। তারপর ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে শুরু হয় খনন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আরও বোমা রয়ে গেছে মাঠটিতে।

উদ্ধার প্রতিটি বোমার ফিউজ, ডেটোনেটর এবং ভেতরকার অন্যান্য উপাদান এখনও অক্ষত আছে। এই বোমাগুলোর যে শক্তি, তাতে এগুলো কয়েকটি বিস্ফোরিত হলেই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটবে।

উলার শহরে ‘স্কটস পার্ক’নামে শিশুদের একটি পার্ক রয়েছে। যে জমিতে বোমার সন্ধান পাওয়া গেছে, সেটি স্কটস পার্কের সংলগ্ন। পার্ক আরও বড় করার জন্য সরকারের কাছ থেকে সেই জমিটি বরাদ্দ নেয় প্যারিশ কাউন্সিল। গত ডিসেম্বরে এ প্রকল্পের জন্য অর্থও বরাদ্দ করে ব্রিটেনের সরকার।

সেই অনুযায়ী গত জানুয়ারির শেষ দিকে পার্ক সম্প্রসারণের কাজ শুরুর অংশ হিসেবে জমিটি খোঁড়া শুরু হয়। অল্প কিছুক্ষণ খননকাজ চালানোর পরই সেখানে বোমার সন্ধান পাওয়া যায়।

উলার প্যারিশ কাউন্সিলের সদস্য মার্ক ম্যাথার জানিয়েছেন, বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করতে কাজ শুরু করেছে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, তারাও এক্ষেত্রে সহযোগিতা করছেন। বোমাগুলো থাকা অবস্থায় যদি বাচ্চারা এই মাঠে খেলাধূলা করত, তাহলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত, বিবিসিকে বলেন মার্ক ম্যাথার।

এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, শ্রমিকরা মাঠে খনন করার সময় একটি সন্দেহজনক বস্তু খুঁজে পান। প্রথম বোমাটি পাওয়া যাওয়ার একদিন পর, নির্মাণ শ্রমিকরা দ্বিতীয়টি খুঁজে পান। এরপর ২৩ জানুয়ারি ওই কোম্পানি মোট ৬৫টি অনুশীলন বোমা খুঁজে পায়। প্রতিটির ওজন ১০ পাউন্ড।

এসএম/

দেখুন: ভারত থেকে এসে যেভাবে বদলে গেলো কাইয়ুমের ভাগ্য!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন