অদম্য মেধাবী আম্বিয়া আক্তার এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন।মাহেন্দ্র চালক মা-বাবার সন্তান আম্বিয়া ফরিদপুর সরকারী সারদা সুন্দরী কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। এসএসসির বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পাওয়া আম্বিয়ার স্বপ্ন একদিন এডমিন ক্যাডার হওয়ার।
আম্বিয়া রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের পশ্চিম উজানচর শ্রীদাম দত্তপাড়া গ্রামের মো: আমজাদ হোসেনের মেয়ে। অভাবের সংসারে বড় হওয়া আম্বিয়া অনেক কষ্ট করে লেখপড়া করেছেন। তিনি এসএসসি পরীক্ষায় গোয়ালন্দ উপজেলার গোয়ালন্দ প্রপার হাইস্কুল থেকে২০২৩ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।
মেয়ের ধারাবাহিক সাফল্যে খুশি মা মলিনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমাদের অভাবের সংসার। সহায় সম্পদ বলতে আর কিছুই নেই। তিনটি ছেলেমেয়ের পড়ালেখার ব্যয় অনেক। আম্বিয়ার ফলাফলে আমি ভীষণ খুশি। সে এডমিন ক্যাডার হতে চায়। মেয়েটাকে নিয়ে আমাদের অনেক আশা।’
আম্বিয়ারা তিন ভাইবোন। সবার ছোট ভাই রাশেদুল।বর্তমানে সে গোয়ালন্দের দেওয়ানপাড়া রহমতউল্লাহ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীতে লেখাপড়া করছেন। বড় বোনের পর আম্বিয়াই ছোট।
আম্বিয়ার মােছা: মলিনা আক্তার যুগান্তরকে বলেন,তাঁদের আয় কম, ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার ব্যয় বেশি। মেয়ের এডমিন ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে চান তাঁরা। তবে তাঁদের আয়ে সেটা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
আম্বািয়ার বাবা মো: আমজাদ হোসেন বলেন, ‘আম্বিয়া জিপিএ-৫ পেয়েছে। এতে আমি খুব খুশি। মেয়েটা অদম্য মেধাবী।এই জন্য তার কলেজে পড়া সহজ হয়েছে।সে এডমিন ক্যাডার হতে চায়। শেষ পর্যন্ত সেটা সম্ভব হবে কি না জানি না।’তবে দোয়া করি আম্বিয়া একদিন মানুষের মতো মানুষ হোক।সে আমাদের মুখ উজ্জল করুক।
পড়ুন: নোয়াখালীতে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ৮০
দেখুন: গণহত্যার রায় নিয়ে আগাম মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ট্রাইব্যুনাল
ইম/


