দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতিকে নাহিদুজ্জামান নিশাদকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (২৪ অগাস্ট) কেন্দ্রীয় বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিক। তিনি বলেন, তার বহিষ্কারের চিঠি আমি হাতে পেয়েছি।
পত্রে জানানো হয়েছে, দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকায় তাদের দলীয় পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পত্রে আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না রাখার জন্য নিদের্শ প্রদান করা হলো।
বিএনপিসহ জোটের শরিক ২০১৮ সালে স্বৈরাচার হাসিনার ভোট বর্জন করেন। ওই আসনে এমপি ফজলে রাব্বী মারা যাওয়ার পর উপ-নির্বাচন হয়। নাহিদুজ্জামান নিশাত সেই উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আপেল প্রতীকে অংশ নেন। আগে তাকে বিএনপির রাজনীতি করতে দেখা যায়নি।
৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে গেলে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। জেলায় দলের শীর্ষ পদ (সহ-সভাপতি) বাগিয়ে নেন। তিনি নিজেকে বগুড়ায় বিএনপির দীর্ঘদিনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার দাবি করেছিলেন। তিনি গাইবান্ধা Ñ৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা ) দীর্ঘদিনে রাজপথের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের টাকার জোড়ে কোনঠাসা করে ছিলেন। নিশাদের কারনে ওই এলাকায় বিএনপির গ্রুপিং রাজনীতিতে পরিনত হয়েছিল।
তার টাকার কাছে জেলাসহ ফুলছড়ি- সাঘাটা উপজেলার অনেক নির্যাতিত নেতাকর্মীও ভীড় ছিলেন। নিশাদের বহিষ্কারের খবর জড়িয়ে পড়লে তৃন মূলের নেতাকর্মীরা আনন্দ উল্লাস করছেন।
দীর্ঘ দিন আ’লীগের সুবিধা নিয়ে ব্যবসা করছেন নিশাদ। ১৭ বছর প্রয়াত ডেপুটি স্পিকারের ঘনিষ্ট ছিলেন নিশাত। পরবর্তীতে (নিষিদ্ধ) সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ হাসানের ঘনিষ্ট বনে যান। বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর দাবি, তিনি পলাতক হাসিনার নির্বাচনকে বৈধতা দিতেই গাইবান্ধা-৫ আসনে তিনি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
পড়ুন: গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন
দেখুন: নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন বিএনপির কর্মীরা
ইম/


