চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদল যুবকের ধারালো অস্ত্রের হামলার শিকার দু’ভায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীদের প্রতিরোধে হামলাকারীদের একজন গণপিটুনি ও এলোপাতাড়ি কোপে গুরুতর আহত যুবক সাজু শেখ (৩০) মারা গেছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
দামুড়হুদা মডেল থানার (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সাজু শেখ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জ নতুনবাজার পাড়ার মৃত. বাদল শেখের ছেলে। তিনি পেশায় রঙ মিস্ত্রি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা থেকে মোটরসাইকেল যোগে কয়েকজন যুবক দামুড়হুদার খাঁপাড়া এলাকার একটি বাড়ির ভেতরে ঢুকে সাজু ও রাজু নামে দু’ভাইকে কুপিয়ে জখম করে।
এসময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে অভিযুক্তরা পালানোর সময় সাজু নামে একজনকে তারা আটক করে গণপিটুনি ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রাখে। পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় সাজুকে উদ্ধার করে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা শংকটাপন্ন হওয়ায় সার্জিক্যাল ডাক্তার তন্ময় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেন।
সেদিন রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে মোটরসাইকেল যোগে কয়েকজন যুবক দামুড়হুদার খাঁপাড়া এলাকার একটি বাড়ির ভেতরে ঢুকে সাজু ও রাজু নামে দু’ভাইকে কুপিয়ে জখম করে।
এসময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে অভিযুক্তরা পালানোর সময় সাজু নামে একজনকে তারা আটক করে গণপিটুনি ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রাখে। পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় সাজুকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ডাক্তারের পরামর্শে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাজুকে পরিবারের লোকজন ঢাকা মেডিকেলে নেয়। ঢাকা মেডিকেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে সাজু মারাযায়।
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে একটি মোবাইল ফোন ভাঙাকে কেন্দ্র করে অর্থ দাবি এবং তা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।
সাজুর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে রাত ১০ টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় নিজ বাড়িতে পৌছায় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
অপরদিকে, এঘটনায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম দামুড়হুদা খাঁপাড়ার রাজু ও সাজুর পিতা বাবুল মিয়া বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারী) একটি মামলা করেছেন। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পড়ুন : চুয়াডাঙ্গায় রেললাইনের অংশ ভেঙ্গে ছিটকে পড়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ ট্রেন চলাচল


