চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আকস্মিক ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাউলি ও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষকরা।
রোববার রাত ৯টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভুট্টা, কলা ও পেঁপে বাগান। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন তারা।
কৃষকরা জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করেই চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় আকস্মিক ঝড়। মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় মাঠের পর মাঠের ফসল। অন্ধকার রাতে প্রকৃতির এই রুদ্ররূপে প্রাণহানি ঘটনা না ঘটলেও, কৃষকের ঘাম ঝরানো শ্রমে গড়ে তোলা বাগান আর ফসলের ক্ষেত এখন মাটির সাথে মিশে একাকার। দিনের আলো ফুটতেই বেরিয়ে আসে ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতচিহ্ন।
কৃষকরা বলছেন, ফসল ঘরে তোলার ঠিক আগ মুহূর্তে এই দুর্যোগ তাদের পথে বসিয়ে দিয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, এই ঝড়ে ১০ হেক্টর জমির পেঁপে বাগান, ১২ হেক্টর জমির কলা বাগান, ৩ হেক্টর জমির গম ও ২৫ হেক্টর জমির ভুট্টা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বাগান ও ক্ষেতের একটি গাছও অক্ষত নেই।
তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা। তবে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত আর্থিক অংক নির্ণয়ে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
প্রকৃতির এই তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা এখন কেবলই সরকারি ভাবে আর্থিক সহায়তার আশায় প্রহর গুনছেন।
পড়ুন : দামুড়হুদায় এসএসসি ৯২ ব্যাচের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ


