বিজ্ঞাপন

দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক সিরাজ

দায়িত্ব নিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাদির এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ এর সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান, জামিয়া ইসলামিয়ার মুহতামিম মুফতি মোবারক উল্লাহ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জহিরুল হক, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা প্রমুখ।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, জেলা ওলামা দলের সভাপতি কাজি ইয়াহিয়া মাসুদ, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শামীমা বাছির স্মৃতি, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মিয়া, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আবু শামীম মো. আরিফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোল্লা সালাউদ্দি।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী।

এসময় বক্তৃতায় জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, জেলার ৬ টি আসনের সংসদ সদস্যসহ জেলা পরিষদের সাথে সম্পৃক্ত যারা আছেন এবং সুধী সমাজ, আমি সকলের সাথে সমন্বয় সভা করে জেলা পরিষদের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যমল বলেন,আজকে দীর্ঘ সংগ্রামের পর আমরা এই অবস্থায় এসেছি। অতীত ভুলে গেলে হবেনা।মনে রাখতে হবে জনগন সকল ক্ষমতার উৎস। ক্ষমতায় আছি বলে যা ইচ্ছে করা যাবেনা। আগামীতে যতো নির্বাচন হবে জনগনের ভোটে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে। তা না হলে ২০৩১ এর নির্বাচনে খেশারত দিতে হবে। তিনি আরো বলেন,প্রধানমন্ত্রী সাদাসিধে জীবনযাপন করছেন। সংসদ সদস্যরা টেক্স মওকুফের গাড়ি পরিহার করেছেন। বাড়ি নিচ্ছেননা। আঙ্গুল থেকে ভোটের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই সরকার ধাপে ধাপে ইশতেহার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড দেয়া শুরু হয়েছে। কৃষি ঋন মওকুফ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড দেয়া হবে। খালকাটা কর্মসূচী শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জঙ্গলে লুকানো ছিল সাড়ে ৯ কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন