26.5 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দিনভর যুক্তি-পাল্টা যুক্তিতে মুগ্ধতা

যুক্তি আর পাল্টা যুক্তিতে দিনভর মুগ্ধতা ছড়িয়েছে ক্ষুদে বিতার্কিকরা। জেলার আটটি শিক্ষা প্রষ্ঠিানের তার্কিকরা হইচই করে উৎসবমুখর পরিবেশে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। প্রতিযোগীদের বাগ্যুদ্ধের বর্ণ ও শব্দের চুলছেঁড়া বিশ্নেষণে নজর ছিল বিচারকদের। নির্বাক দৃষ্টিতে উপভোগ করেন অতিথি ও দর্শকরা। শনিবার নীলফামারী সৈয়দপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১১তম আসরের এ বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে ছিল সুহৃদ সমাবেশ।

প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আলফারুক একাডেমি, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সানফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ, লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, তুলশীরাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ।

বিতর্ক উৎসবে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দলনেতাসহ তিনজন করে অংশ নেয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আলফারুক একাডেমি। রানার্সআপ হয়েছে লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ । শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন আলফারুক একাডেমির আবদুল্লাহ দানিয়ান।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপত্বি করেন সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি বি আই বাধান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমকাল নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি আমিরুল হক। বিচারকের দ্বায়িত্বে ছিলেন সৈয়দপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক শিউলী বেগম, ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের রংপুর জোনের কো-চেযারম্যান ও ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ও মোহাম্মদ শিহাবুজ্জামান চঞ্চল ও সৈয়দপুর সানফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক সাংবাদিক রেজা মাহমুদ।
মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আল ফারুক একাডোমীর মামুনুর রহমান রাজু।

বিতর্ক অনুষষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। উৎসবে অংশ নেয়া প্রতিটি বিতার্কিক পেয়েছে সম্মাননা স্মারক। চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ তার্কিক ও দলনেতা পেয়েছে টি শার্ট ও ক্রেস্ট। পরবর্তীতে চ্যাম্পিয়ন দল অংশ নিবে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগীতায়। আর বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়দ দলগুলো জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিবে।

প্রধান অতিথি মো. মোসস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি প্রয়োজন রয়েছে বিজ্ঞান বিভিত্তিক বিতর্ক ও সংস্কৃতি চর্চার। যা বিএফএফ-সমকাল ও সুহৃদ সমাবেশ এ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এ ধরনের আয়োজন শুধু বিতার্কিকদের নয় সকল শিক্ষার্থীদের মনোবিকাশের ধারক হয়ে থাকবে। প্রতিযোগিতায় যে দল ভারো করেনি, তাদের মন খারাপের কিছু নেই। যে কোনো প্রতিযোগীতায় জয় পাওয়াটা বড় কথা নয়, অংশগ্রহণ করাটাই বড় কথা। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখবে সমকাল এ প্রত্যাশা করি।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন :২ দিন পর খুলল নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন